নীলফামারীর সৈয়দপুরে অভিযান চালিয়ে চোরাই তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর এলাকার বাসিন্দা মো. সাব্বির হোসেন এবং সৈয়দপুরের মতির মোড় (ফাইলেরিয়া হাসপাতালের পাশে) এলাকার বাসিন্দা মো. ফরহাদ হোসেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সৈয়দপুর থানা পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাব্বির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তাকে মোটরসাইকেল চুরির চক্রের হোতা ও চোর হিসেবে শনাক্ত করেছে। একই অভিযানে চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয় ও হেফাজতে রাখার অভিযোগে ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা বলেন, মোটরসাইকেল চুরি ও চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চোরাই তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং চক্রের সঙ্গে জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে অভিযান চালিয়ে চোরাই তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর এলাকার বাসিন্দা মো. সাব্বির হোসেন এবং সৈয়দপুরের মতির মোড় (ফাইলেরিয়া হাসপাতালের পাশে) এলাকার বাসিন্দা মো. ফরহাদ হোসেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সৈয়দপুর থানা পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাব্বির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তাকে মোটরসাইকেল চুরির চক্রের হোতা ও চোর হিসেবে শনাক্ত করেছে। একই অভিযানে চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয় ও হেফাজতে রাখার অভিযোগে ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা বলেন, মোটরসাইকেল চুরি ও চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চোরাই তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং চক্রের সঙ্গে জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন