ভারত থেকে আমদানি করা ১৮টি রেল কোচ আজ শনিবার রাত ৩ টা ৫৫ মিনিটে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে পৌঁছেছে। সেখানে প্রয়োজনীয় ডিপ্রসেসিং, কমিশনিং ও ট্রায়াল রান সম্পন্ন করার জন্য লোকোমোটিভ, প্রয়োজনীয় ক্রু, টুলভ্যান এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে নতুন কোচ যুক্ত করার অংশ হিসেবে ভারতের রাইটস লিমিটেডের মাধ্যমে এসব কোচ সংগ্রহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত ২০০টি ব্রডগেজ রেলকোচ সরবরাহ চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে এসেছে চার ধরনের ১৮টি কোচ।এর মধ্যে রয়েছে ১১টি নন-এসি শোভন চেয়ার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কোচ, দুটি এসি স্লিপার কোচ এবং দুটি এসি পাওয়ার কার। পাওয়ার কারগুলোতে গার্ডদের জন্য পৃথক কামরা এবং যাত্রীদের মালামাল বহনের ব্যবস্থা রয়েছে। কোচগুলো তৈরি করা হয়েছে ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালায় অবস্থিত রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে।
রেলওয়ে শ্রমিক ইউনিয়ন কারখানা শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ রোবায়েতুর রহমান এ কোচগুলো দিয়ে সরাসরি চিলাহাটি-কক্সবাজার পর্যটন রুটে একটি আন্তনগর ট্রেন চালুর দাবি জানিয়ে বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দ্রুত কোচগুলো রেলবহরে যুক্ত করলে কোচ সংকট কমবে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘রেলওয়ে কারখানায় আনা এ সব কোচ এখনো খোলা হয়নি। তবে খুব শিগগিরই খুলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে আমাদের দেশে উপযোগী কিনা। এ কাজে রেল কারখানার শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তার পাশাপাশি ভারতের বিশেষজ্ঞরা কাজ করবেন। কোচগুলো সৈয়দপুর রেল কারখানায় যান্ত্রিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রায়াল দেওয়ার পর ট্রাফিক বিভাগে হস্তান্তর করা হবে।’

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
ভারত থেকে আমদানি করা ১৮টি রেল কোচ আজ শনিবার রাত ৩ টা ৫৫ মিনিটে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে পৌঁছেছে। সেখানে প্রয়োজনীয় ডিপ্রসেসিং, কমিশনিং ও ট্রায়াল রান সম্পন্ন করার জন্য লোকোমোটিভ, প্রয়োজনীয় ক্রু, টুলভ্যান এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে নতুন কোচ যুক্ত করার অংশ হিসেবে ভারতের রাইটস লিমিটেডের মাধ্যমে এসব কোচ সংগ্রহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত ২০০টি ব্রডগেজ রেলকোচ সরবরাহ চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে এসেছে চার ধরনের ১৮টি কোচ।এর মধ্যে রয়েছে ১১টি নন-এসি শোভন চেয়ার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কোচ, দুটি এসি স্লিপার কোচ এবং দুটি এসি পাওয়ার কার। পাওয়ার কারগুলোতে গার্ডদের জন্য পৃথক কামরা এবং যাত্রীদের মালামাল বহনের ব্যবস্থা রয়েছে। কোচগুলো তৈরি করা হয়েছে ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালায় অবস্থিত রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে।
রেলওয়ে শ্রমিক ইউনিয়ন কারখানা শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ রোবায়েতুর রহমান এ কোচগুলো দিয়ে সরাসরি চিলাহাটি-কক্সবাজার পর্যটন রুটে একটি আন্তনগর ট্রেন চালুর দাবি জানিয়ে বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দ্রুত কোচগুলো রেলবহরে যুক্ত করলে কোচ সংকট কমবে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘রেলওয়ে কারখানায় আনা এ সব কোচ এখনো খোলা হয়নি। তবে খুব শিগগিরই খুলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে আমাদের দেশে উপযোগী কিনা। এ কাজে রেল কারখানার শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তার পাশাপাশি ভারতের বিশেষজ্ঞরা কাজ করবেন। কোচগুলো সৈয়দপুর রেল কারখানায় যান্ত্রিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রায়াল দেওয়ার পর ট্রাফিক বিভাগে হস্তান্তর করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন