নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী শ্মশান মাঠে অনুমোদন ছাড়াই ‘বৃক্ষ ও শিশু বিনোদন মেলা’ আয়োজন এবং নারী প্রদর্শনের অভিযোগে বসানো মেলাটি ভেঙে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দৈনিক আলাপনে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসন মেলাটি বন্ধ করে দেয়।
এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর দৈনিক আলাপনে ‘অনুমোদনহীন মেলায় নারী প্রদর্শনের অভিযোগ, সন্ধ্যায় স্কুলশিক্ষার্থীদের ভিড় শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশের তিন দিনের মাথায় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেলাটি ভেঙে দেয়। এ সময় কিশোরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল কুদ্দুছসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সরেজমিনে দেখা যায়, পুটিমারী শ্মশান মাঠের বিশাল এলাকাজুড়ে ‘বৃক্ষ ও শিশু বিনোদন মেলা’র নামে প্রায় ৫০টি বিভিন্ন পণ্যের স্টল বসানো হয়েছে। পাশাপাশি ছিল নাগরদোলা, নৌকা দোলনাসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক খেলনা। কয়েকটি খেলনা ঝুঁকিপূর্ণ বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল।
মেলার এক প্রান্তে বসানো জাদু খেলার স্টেজে একজন জাদু প্রদর্শনের পাশাপাশি তিন নারীকে গানের তালে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা যায়। প্রতিবেদকের উপস্থিতি টের পেয়ে আয়োজক কমিটির এক সদস্য ওই নারীদের সতর্ক করলে তারা অঙ্গভঙ্গি বন্ধ করে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এদিকে সন্ধ্যার পর মেলায় স্কুলপড়ুয়া শিশু-কিশোরদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
মেলার অনুমোদন নিয়েও তৈরি হয় ধোঁয়াশা। আয়োজক কমিটির সদস্য জামিনুর রহমান দাবি করেছিলেন, মেলার জন্য ১৬ দিনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। তবে অনুমতির কাগজ দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। মেলায় স্টল বসানো সালাম নামের এক ব্যক্তিও অনুমতি থাকার দাবি করলেও কোনো কাগজ দেখাতে পারেননি।
এ বিষয়ে আগে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি জানিয়েছিলেন, মেলার বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমানও জানিয়েছিলেন, তার কাছে অনুমতির কোনো কপি আসেনি।
মঙ্গলবার মেলা ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে ইউএনও আরিফুর রহমান বলেন, ‘অনুমোদন ছাড়াই মেলা চলছিল। তাদের সময় দেওয়া হয়েছিল। এরপর মালামাল না সরানোয় মেলা ভেঙে দেওয়া হয়েছে।’
প্রশাসনের এ পদক্ষেপের ফলে পুটিমারী শ্মশান মাঠে চলমান মেলাটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী শ্মশান মাঠে অনুমোদন ছাড়াই ‘বৃক্ষ ও শিশু বিনোদন মেলা’ আয়োজন এবং নারী প্রদর্শনের অভিযোগে বসানো মেলাটি ভেঙে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দৈনিক আলাপনে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসন মেলাটি বন্ধ করে দেয়।
এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর দৈনিক আলাপনে ‘অনুমোদনহীন মেলায় নারী প্রদর্শনের অভিযোগ, সন্ধ্যায় স্কুলশিক্ষার্থীদের ভিড় শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশের তিন দিনের মাথায় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেলাটি ভেঙে দেয়। এ সময় কিশোরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল কুদ্দুছসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সরেজমিনে দেখা যায়, পুটিমারী শ্মশান মাঠের বিশাল এলাকাজুড়ে ‘বৃক্ষ ও শিশু বিনোদন মেলা’র নামে প্রায় ৫০টি বিভিন্ন পণ্যের স্টল বসানো হয়েছে। পাশাপাশি ছিল নাগরদোলা, নৌকা দোলনাসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক খেলনা। কয়েকটি খেলনা ঝুঁকিপূর্ণ বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল।
মেলার এক প্রান্তে বসানো জাদু খেলার স্টেজে একজন জাদু প্রদর্শনের পাশাপাশি তিন নারীকে গানের তালে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা যায়। প্রতিবেদকের উপস্থিতি টের পেয়ে আয়োজক কমিটির এক সদস্য ওই নারীদের সতর্ক করলে তারা অঙ্গভঙ্গি বন্ধ করে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এদিকে সন্ধ্যার পর মেলায় স্কুলপড়ুয়া শিশু-কিশোরদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
মেলার অনুমোদন নিয়েও তৈরি হয় ধোঁয়াশা। আয়োজক কমিটির সদস্য জামিনুর রহমান দাবি করেছিলেন, মেলার জন্য ১৬ দিনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। তবে অনুমতির কাগজ দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। মেলায় স্টল বসানো সালাম নামের এক ব্যক্তিও অনুমতি থাকার দাবি করলেও কোনো কাগজ দেখাতে পারেননি।
এ বিষয়ে আগে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি জানিয়েছিলেন, মেলার বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমানও জানিয়েছিলেন, তার কাছে অনুমতির কোনো কপি আসেনি।
মঙ্গলবার মেলা ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে ইউএনও আরিফুর রহমান বলেন, ‘অনুমোদন ছাড়াই মেলা চলছিল। তাদের সময় দেওয়া হয়েছিল। এরপর মালামাল না সরানোয় মেলা ভেঙে দেওয়া হয়েছে।’
প্রশাসনের এ পদক্ষেপের ফলে পুটিমারী শ্মশান মাঠে চলমান মেলাটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন