নীলফারীর সৈয়দপুরে এক তরুণীর ছবি এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অশ্লীলভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা।
এরআগে গতকাল রাতে তাদের সৈয়দপুর শহরের সাহেবপাড়া লিচু বাগান এলাকার নিজের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কামাল হোসেনের ছোট ছেলে সুজন মিয়া (২৫), মেজো ছেলে শাকির রানা (৩০) ও শাকির রানার স্ত্রী মাহিমা ইসলাম শাম্মী (২৫)।
ভুক্তভোগী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সুজন মিয়া ভুক্তভোগী তরুণীকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। পরে সে তরুণীকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করে গোপনে বিয়ে করেন। পরে বিষয়টি তরুণীর পরিবার জানতে পারলে সেটি পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সুজনের পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে দেখতে তাদের বাড়িতে গিয়ে তার ছবি তুলে নিয়ে আসেন। পরে আসামিরা সেই ছবি এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অশ্লীলভাবে ছড়িয়ে দেন।
এঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা সালাম রেজা নিজে বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গতকাল রাতে তাদের গ্রেপ্তার করেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, এক তরুণীর অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইনের ১৯(ক)/২৫/২৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে (মামলা নং ৭)। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফারীর সৈয়দপুরে এক তরুণীর ছবি এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অশ্লীলভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা।
এরআগে গতকাল রাতে তাদের সৈয়দপুর শহরের সাহেবপাড়া লিচু বাগান এলাকার নিজের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কামাল হোসেনের ছোট ছেলে সুজন মিয়া (২৫), মেজো ছেলে শাকির রানা (৩০) ও শাকির রানার স্ত্রী মাহিমা ইসলাম শাম্মী (২৫)।
ভুক্তভোগী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সুজন মিয়া ভুক্তভোগী তরুণীকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। পরে সে তরুণীকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করে গোপনে বিয়ে করেন। পরে বিষয়টি তরুণীর পরিবার জানতে পারলে সেটি পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সুজনের পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে দেখতে তাদের বাড়িতে গিয়ে তার ছবি তুলে নিয়ে আসেন। পরে আসামিরা সেই ছবি এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অশ্লীলভাবে ছড়িয়ে দেন।
এঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা সালাম রেজা নিজে বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গতকাল রাতে তাদের গ্রেপ্তার করেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, এক তরুণীর অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইনের ১৯(ক)/২৫/২৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে (মামলা নং ৭)। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন