রংপুরে নগরীতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যা মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ঘটনার সাক্ষী শান্ত দাস ওরফে পুঁটি শান্ত। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক এসএম রফিকুল ইসলামের আদালতে সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারার তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শন জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষী আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার আগে তার কাছে মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা কিনে আসামি সিদ্ধার্থ দাস। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জিন্নাত আলী বলেন, সাক্ষী হিসেবে শান্ত দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। যা তদন্তের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর বেশি কিছু আমি বলতে পারব না।
মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (গোয়েন্দা বিভাগ) সনাতন চক্রবর্তী বলেন, সাক্ষী হিসেবে শান্ত দাসকে আদালতে তোলা হয়। তিনি যতটুকু জানেন, তা জানিয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন। এখন শান্তকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। তার কাছে মাদক না পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার বা আসামি করার সুযোগ নেই। শান্তকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে গ্রেপ্তারের পর সাবেক পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবদু সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে তারা মোট ৯টি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। এ জন্য শান্ত দাস ওরফে পুঁটি শান্তর কাছে নিজের মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা নিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ দাস।
এদিকে, গত ১ ও ২ সেপ্টেম্বর অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জেলগেটে ৩ ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।এছাড়াও আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডে আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ দাসের বন্ধু সীমান্ত দাস ও দখিগঞ্জ শশ্মানের পাহারাদার বিদ্যুৎ মোহন্ত আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় একই এলাকা থেকে প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। মামলাটি বর্তমানে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরে নগরীতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যা মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ঘটনার সাক্ষী শান্ত দাস ওরফে পুঁটি শান্ত। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক এসএম রফিকুল ইসলামের আদালতে সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারার তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শন জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষী আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার আগে তার কাছে মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা কিনে আসামি সিদ্ধার্থ দাস। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জিন্নাত আলী বলেন, সাক্ষী হিসেবে শান্ত দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। যা তদন্তের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর বেশি কিছু আমি বলতে পারব না।
মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (গোয়েন্দা বিভাগ) সনাতন চক্রবর্তী বলেন, সাক্ষী হিসেবে শান্ত দাসকে আদালতে তোলা হয়। তিনি যতটুকু জানেন, তা জানিয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন। এখন শান্তকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। তার কাছে মাদক না পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার বা আসামি করার সুযোগ নেই। শান্তকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে গ্রেপ্তারের পর সাবেক পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবদু সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে তারা মোট ৯টি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। এ জন্য শান্ত দাস ওরফে পুঁটি শান্তর কাছে নিজের মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা নিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ দাস।
এদিকে, গত ১ ও ২ সেপ্টেম্বর অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জেলগেটে ৩ ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।এছাড়াও আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডে আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ দাসের বন্ধু সীমান্ত দাস ও দখিগঞ্জ শশ্মানের পাহারাদার বিদ্যুৎ মোহন্ত আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় একই এলাকা থেকে প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। মামলাটি বর্তমানে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করছে।

আপনার মতামত লিখুন