দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলায় ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান এবং অন্য চিকিৎসকের প্যাড ব্যবহার করে প্রেসক্রিপশন দেওয়ার অভিযোগে মনোয়ার ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এসআই মোস্তাাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে রাণীরবন্দর নশরতপুর বালাপাড়া এলাকা থেকে মনোয়ার ইসলামকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়। দন্ডপ্রাাপ্ত মনোয়ার ইসলাম খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ি গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দর এলাকার নশরতপুর বালাপাড়ায় চেম্বার পরিচালনা করতেন।
জানা গেছে, মনোয়ার ইসলাম নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগী দেখতেন এবং ডি.এ.এম.এস (চট্টগ্রাম) ডা. রবিউল ইসলাম এর প্যাড ব্যবহার করে প্রেসক্রিপশন দিতেন। ডা. রবিউল ইসলাম জানান, তার নাম ও প্যাড ব্যবহার করে প্রেসক্রিপশন দেওয়া হলেও তিনি এ বিষয়ে অনুমতি দেননি। তিনি বিভিন্ন কোম্পানীর হারবাল (আয়ুবেদীক) এবং যৌন উত্তেজনা ওষুধ বিক্রি করার অভিযোগও করেন এলাকাবাসি।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেহা তুজ জোহরার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলায় ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান এবং অন্য চিকিৎসকের প্যাড ব্যবহার করে প্রেসক্রিপশন দেওয়ার অভিযোগে মনোয়ার ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এসআই মোস্তাাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে রাণীরবন্দর নশরতপুর বালাপাড়া এলাকা থেকে মনোয়ার ইসলামকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়। দন্ডপ্রাাপ্ত মনোয়ার ইসলাম খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ি গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দর এলাকার নশরতপুর বালাপাড়ায় চেম্বার পরিচালনা করতেন।
জানা গেছে, মনোয়ার ইসলাম নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগী দেখতেন এবং ডি.এ.এম.এস (চট্টগ্রাম) ডা. রবিউল ইসলাম এর প্যাড ব্যবহার করে প্রেসক্রিপশন দিতেন। ডা. রবিউল ইসলাম জানান, তার নাম ও প্যাড ব্যবহার করে প্রেসক্রিপশন দেওয়া হলেও তিনি এ বিষয়ে অনুমতি দেননি। তিনি বিভিন্ন কোম্পানীর হারবাল (আয়ুবেদীক) এবং যৌন উত্তেজনা ওষুধ বিক্রি করার অভিযোগও করেন এলাকাবাসি।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেহা তুজ জোহরার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন