নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে পাটের ভাল ফলন ও কাক্সিক্ষত বাজারদর পেয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। বাজারে পাটের চাহিদা ও ভালো দাম থাকায় লাভবান হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। বাজারে প্রতি মন পাট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার টাকা দরে। এ আশানুরূপ দামে সমৃদ্ধির ঢেকুর তুলে কৃষকেরা ফুরফুরা মেজাজে পরম যতেœ গ্রামবাংলার গৌরবময় ও ঐতিহ্যবাহী অর্থকারী ফসল পাটের আঁশ ছড়ানো এবং ধোয়া ও শুকানোর কাজে বিরামহীনভাবে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
আর ভোরের আলো ফুটতেই গ্রামের খাল-বিল,নদী-নালা, পুকুর-ডোবা, জমির আইলে ও জলাশয়ের পাড়ে শুরু হয় এমন কর্মব্যস্ততা। কোথাও চলছে জাগ থেকে পাটের আঁশ ছড়ানোর কাজ, কোথাও চলছে ছড়ানো আঁশ রোদে মেলে দিয়ে শুকানোর কর্মব্যস্ততা।
সব মিলে কৃষকের উঠোন-আঙিনাসহ মেঠোপথের ধারে সারি সারি সোনালী আঁশের পরিচিত গন্ধে মুখরিত হয়ে উঠেছে গ্রামীণ জনপদ। সেই সঙ্গে হাট-বাজারেও ছড়িয়ে পড়েছে সোনালী আঁশের মিষ্টি গন্ধ। অনুক‚ল আবহাওয়া, কৃষি অফিসের সার্বিক পরামর্শ ও উচ্চ ফলনশীল বীজের ব্যবহারের ফলে পাটের ফলন হয়েছে ভাল। অন্য বছরের তুলনায় এবার বাজারে পাটের চাহিদা ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকেরা দেখছেন কাঙ্খিত লাভের মুখ। শুধু কাঙ্খিত পাটের দামেই নয়, সোনালী আঁশের রূপালী পাটকাঠির কদর ও চাহিদা থেকে তা বিক্রি বাট্টা করে কৃষকের অনেকটাই তুলছেন চাষের খরচ। এতে করে কৃষক পরিবারের চোখে-মুখে ফুটে উঠেছে সমৃদ্ধির হাসি।
পাটের সুদিন ফেরায় ও কম খরচে ভাল লাভ পাওয়ায় অন্য কৃষকরাও নতুন করে সোনালী আঁশ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
সরেজমিনে বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা বর্ষা মৌসুমে পাট কেটে আশপাশের নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবা ও জলাশয়ে জাগ দেন। সেই জাগ দেওয়া পাটকাঠির আঁশ কৃষক-শ্রমিকরা সুনিপূণ হাতের ছোঁয়ায় ছড়িয়ে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অন্যান্য ইউনিয়নের ন্যায় দেখা গেছে, পুটিমারী ছাদুরারপুল গ্রামের জলাশয়ের ধারে কৃষকসহ ১৫জন শ্রমিক কখনো তীব্র রোদ, ভ্যাপসা গরম, কাঁদামাটি, ঘোলাজল, পাট পচাঁনোর সোঁদা গন্ধ আর দীর্ঘক্ষণ বসে ভেজা শরীর উপেক্ষা করে সোনালী আঁশ সংগ্রহে মেতে উঠেছেন।
এ আঁশ ছড়ানোর পর পরিস্কার পানিতে ধুয়ে সারি সারি বাঁশের খুঁটি সাটিয়ে সড়কের ধারে,বাড়ির উঠোন-আঙিনায়,খোলা মাঠ-প্রান্তরের রোদে মেলে দেওয়া হচ্ছে। এ সারি সারি পাটের আঁশে যেন সবুজ-সোনালী বাংলার এক অনন্য চিত্র ফুটে উঠেছে। অপর দিকে মৃদু বাতাসে ধুলছে এ সোনালী রঙের আঁশ,তার পাশে কৃষাণ-কৃষাণীর ব্যস্ত হাত। প্রকৃতি ও মানুষের শ্রমের এই দৃশ্য যেন গ্রামবাংলার চিরচেনা এক জীবন্ত ছবি।
কথা হলে, পুটিমারী কালিকাপুর মিস্ত্রি পাড়া গ্রামের কৃষক মমিদুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারো দেড় বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। সেই পাট পচাঁনোর পর আঁশ ছড়ানোর কাছ চলছে। এ পরিমান জমিতে হালচাষ, সার, বীজ, নিড়ানি, কাটা, জাগ দেওয়া এবং ধোয়াসহ সব কিছু মিলে খরচ হয়েছে ১৮ হাজার টাকা। ১৪ মন পাট ঘরে তোলার আশা করা হচ্ছে।
চলতি বছর পাটের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ৪ হাজার টাকা মন বাজার দর চলছে। যা ১৪ মন পাট বিক্রি করলে ৫৬ হাজার টাকা আয়ের আশা করা হচ্ছে। যা ১৮ হাজার টাকা খরচ বাদে ৩৬ হাজার টাকা মুনাফা হবে।
এ ছাড়াও পাটকাঠি পাওয়া যাবে ৭০ আঁটি। স্থানীয় লোকজনসহ দুরদুরান্তের পাইকাররা এসে বিল থেকে নিজ খরচে প্রতি আঁটি ১০০ টাকা দরে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। যা বিক্রি করে ৭ হাজার টাকা বাড়তি আয় হবে। অন্য বছরের লোকসানের ক্ষত কাটি সব মিলে পাট চাষে এবার ব্যাপক লাভবান হবো। ডোবায় পানি থাকায় পাট জাগ নিয়েও কোন সমস্যা হয়নি।
এ কৃষকের পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাজেডুমরিয়া গ্রামের আনিছুল ইসলাম দেড় বিঘা, রনচন্ডি ইউনিয়নের কিসামত বীর চরণ গ্রামের আলতাফ হোসেন ১ বিঘা, পরেশ রায় ১ বিঘা ও বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি তাজু স্যানেটারী পাড়ার রেজাউল আলম স্বপন ২২ শতাংশ জমিতে পাট চাষ করেন।
এসব পাট চাষির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনুক‚ল আবহাওয়া ও কৃষি অফিসের সার্বিক পরামর্শে তারা প্রতি বিঘায় ৮খেকে ১০ মন পাটের ফলন পান। সব কিছু মিলে উৎপাদন খরচ হয় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। প্রতি বিঘা জমির পাট বিক্রি করেন ৩২ থেকে ৪০ হাজার টাকা। যা খরচ বাদে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লাভ হয়।
এ ছাড়াও সোনালী আঁশ ছড়ানোর পর ৫০ থেকে ৭০ আঁটি রূপালী পাটকাঠি পাওয়া যায়।এ পাটকাঠি ঘরে তোলা মাত্রই পাড়া-মহল্লার লোকজন ও বিভিন্ন প্রান্তের পাইকাররা এসে প্রতি আঁটি ১০০ টাকা দরে কিনে নিচ্ছেন। এতে বিঘায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা বাড়তি আয় করছেন।
তবে পাটের হৃত গৌরব ফেরাতে পাটের ন্যয্য মূল্য নির্ধারনের পাশাপাশি প্লাস্টিক ও পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করে পাটের বহুমুখী ব্যবহার বাধ্যতামূলক করাসহ উৎপাদন খরচ কমাতে ও পাট চাষে আরো লাভজনক করতে সরকারি প্রণোদনা ও অন্যান্য সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম বলেন, চলতি মৌসুমে ৩০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পাট চাষ বৃদ্ধির লক্ষে কৃষি প্রণোদনার আওতায় ১০০ জন কৃষকের মাঝে সার ও উচ্চ ফলনশীল তোষা -৯ জাতের বীজ বিতরণ করা হয়েছে।
মাঠ পর্যায়ে পাট চাষিদের সার্বিক পরামর্শ প্রদান করায় ভাল ফলন হয়েছে। ভাল ফলনের সাথে এবার আশানুরূপ বাজার দর পেয়ে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। পরিমান মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় কারনে পাট জাগ দিতে কৃষকদের কোন ঝামেলা পোহাতে হয়নি। অপর দিকে পাট ছড়ানোর পর পাটকাঠি বা খড়ির বেশ কদর ও চাহিদা থেকে প্রতি আঁটি খড়ি ১০০ টাকা দরে বিক্রি করে কৃষকের বাড়তি আয় করছেন।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে পাটের ভাল ফলন ও কাক্সিক্ষত বাজারদর পেয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। বাজারে পাটের চাহিদা ও ভালো দাম থাকায় লাভবান হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। বাজারে প্রতি মন পাট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার টাকা দরে। এ আশানুরূপ দামে সমৃদ্ধির ঢেকুর তুলে কৃষকেরা ফুরফুরা মেজাজে পরম যতেœ গ্রামবাংলার গৌরবময় ও ঐতিহ্যবাহী অর্থকারী ফসল পাটের আঁশ ছড়ানো এবং ধোয়া ও শুকানোর কাজে বিরামহীনভাবে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
আর ভোরের আলো ফুটতেই গ্রামের খাল-বিল,নদী-নালা, পুকুর-ডোবা, জমির আইলে ও জলাশয়ের পাড়ে শুরু হয় এমন কর্মব্যস্ততা। কোথাও চলছে জাগ থেকে পাটের আঁশ ছড়ানোর কাজ, কোথাও চলছে ছড়ানো আঁশ রোদে মেলে দিয়ে শুকানোর কর্মব্যস্ততা।
সব মিলে কৃষকের উঠোন-আঙিনাসহ মেঠোপথের ধারে সারি সারি সোনালী আঁশের পরিচিত গন্ধে মুখরিত হয়ে উঠেছে গ্রামীণ জনপদ। সেই সঙ্গে হাট-বাজারেও ছড়িয়ে পড়েছে সোনালী আঁশের মিষ্টি গন্ধ। অনুক‚ল আবহাওয়া, কৃষি অফিসের সার্বিক পরামর্শ ও উচ্চ ফলনশীল বীজের ব্যবহারের ফলে পাটের ফলন হয়েছে ভাল। অন্য বছরের তুলনায় এবার বাজারে পাটের চাহিদা ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকেরা দেখছেন কাঙ্খিত লাভের মুখ। শুধু কাঙ্খিত পাটের দামেই নয়, সোনালী আঁশের রূপালী পাটকাঠির কদর ও চাহিদা থেকে তা বিক্রি বাট্টা করে কৃষকের অনেকটাই তুলছেন চাষের খরচ। এতে করে কৃষক পরিবারের চোখে-মুখে ফুটে উঠেছে সমৃদ্ধির হাসি।
পাটের সুদিন ফেরায় ও কম খরচে ভাল লাভ পাওয়ায় অন্য কৃষকরাও নতুন করে সোনালী আঁশ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
সরেজমিনে বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা বর্ষা মৌসুমে পাট কেটে আশপাশের নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবা ও জলাশয়ে জাগ দেন। সেই জাগ দেওয়া পাটকাঠির আঁশ কৃষক-শ্রমিকরা সুনিপূণ হাতের ছোঁয়ায় ছড়িয়ে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অন্যান্য ইউনিয়নের ন্যায় দেখা গেছে, পুটিমারী ছাদুরারপুল গ্রামের জলাশয়ের ধারে কৃষকসহ ১৫জন শ্রমিক কখনো তীব্র রোদ, ভ্যাপসা গরম, কাঁদামাটি, ঘোলাজল, পাট পচাঁনোর সোঁদা গন্ধ আর দীর্ঘক্ষণ বসে ভেজা শরীর উপেক্ষা করে সোনালী আঁশ সংগ্রহে মেতে উঠেছেন।
এ আঁশ ছড়ানোর পর পরিস্কার পানিতে ধুয়ে সারি সারি বাঁশের খুঁটি সাটিয়ে সড়কের ধারে,বাড়ির উঠোন-আঙিনায়,খোলা মাঠ-প্রান্তরের রোদে মেলে দেওয়া হচ্ছে। এ সারি সারি পাটের আঁশে যেন সবুজ-সোনালী বাংলার এক অনন্য চিত্র ফুটে উঠেছে। অপর দিকে মৃদু বাতাসে ধুলছে এ সোনালী রঙের আঁশ,তার পাশে কৃষাণ-কৃষাণীর ব্যস্ত হাত। প্রকৃতি ও মানুষের শ্রমের এই দৃশ্য যেন গ্রামবাংলার চিরচেনা এক জীবন্ত ছবি।
কথা হলে, পুটিমারী কালিকাপুর মিস্ত্রি পাড়া গ্রামের কৃষক মমিদুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারো দেড় বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। সেই পাট পচাঁনোর পর আঁশ ছড়ানোর কাছ চলছে। এ পরিমান জমিতে হালচাষ, সার, বীজ, নিড়ানি, কাটা, জাগ দেওয়া এবং ধোয়াসহ সব কিছু মিলে খরচ হয়েছে ১৮ হাজার টাকা। ১৪ মন পাট ঘরে তোলার আশা করা হচ্ছে।
চলতি বছর পাটের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ৪ হাজার টাকা মন বাজার দর চলছে। যা ১৪ মন পাট বিক্রি করলে ৫৬ হাজার টাকা আয়ের আশা করা হচ্ছে। যা ১৮ হাজার টাকা খরচ বাদে ৩৬ হাজার টাকা মুনাফা হবে।
এ ছাড়াও পাটকাঠি পাওয়া যাবে ৭০ আঁটি। স্থানীয় লোকজনসহ দুরদুরান্তের পাইকাররা এসে বিল থেকে নিজ খরচে প্রতি আঁটি ১০০ টাকা দরে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। যা বিক্রি করে ৭ হাজার টাকা বাড়তি আয় হবে। অন্য বছরের লোকসানের ক্ষত কাটি সব মিলে পাট চাষে এবার ব্যাপক লাভবান হবো। ডোবায় পানি থাকায় পাট জাগ নিয়েও কোন সমস্যা হয়নি।
এ কৃষকের পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাজেডুমরিয়া গ্রামের আনিছুল ইসলাম দেড় বিঘা, রনচন্ডি ইউনিয়নের কিসামত বীর চরণ গ্রামের আলতাফ হোসেন ১ বিঘা, পরেশ রায় ১ বিঘা ও বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি তাজু স্যানেটারী পাড়ার রেজাউল আলম স্বপন ২২ শতাংশ জমিতে পাট চাষ করেন।
এসব পাট চাষির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনুক‚ল আবহাওয়া ও কৃষি অফিসের সার্বিক পরামর্শে তারা প্রতি বিঘায় ৮খেকে ১০ মন পাটের ফলন পান। সব কিছু মিলে উৎপাদন খরচ হয় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। প্রতি বিঘা জমির পাট বিক্রি করেন ৩২ থেকে ৪০ হাজার টাকা। যা খরচ বাদে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লাভ হয়।
এ ছাড়াও সোনালী আঁশ ছড়ানোর পর ৫০ থেকে ৭০ আঁটি রূপালী পাটকাঠি পাওয়া যায়।এ পাটকাঠি ঘরে তোলা মাত্রই পাড়া-মহল্লার লোকজন ও বিভিন্ন প্রান্তের পাইকাররা এসে প্রতি আঁটি ১০০ টাকা দরে কিনে নিচ্ছেন। এতে বিঘায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা বাড়তি আয় করছেন।
তবে পাটের হৃত গৌরব ফেরাতে পাটের ন্যয্য মূল্য নির্ধারনের পাশাপাশি প্লাস্টিক ও পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করে পাটের বহুমুখী ব্যবহার বাধ্যতামূলক করাসহ উৎপাদন খরচ কমাতে ও পাট চাষে আরো লাভজনক করতে সরকারি প্রণোদনা ও অন্যান্য সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম বলেন, চলতি মৌসুমে ৩০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পাট চাষ বৃদ্ধির লক্ষে কৃষি প্রণোদনার আওতায় ১০০ জন কৃষকের মাঝে সার ও উচ্চ ফলনশীল তোষা -৯ জাতের বীজ বিতরণ করা হয়েছে।
মাঠ পর্যায়ে পাট চাষিদের সার্বিক পরামর্শ প্রদান করায় ভাল ফলন হয়েছে। ভাল ফলনের সাথে এবার আশানুরূপ বাজার দর পেয়ে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। পরিমান মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় কারনে পাট জাগ দিতে কৃষকদের কোন ঝামেলা পোহাতে হয়নি। অপর দিকে পাট ছড়ানোর পর পাটকাঠি বা খড়ির বেশ কদর ও চাহিদা থেকে প্রতি আঁটি খড়ি ১০০ টাকা দরে বিক্রি করে কৃষকের বাড়তি আয় করছেন।

আপনার মতামত লিখুন