নীলফামারীর সৈয়দপুরের কামারপুকুর ইউনিয়নের দক্ষিণ নিয়ামতপুর গ্রামে মাদক, চুরি ডাকাতি ও দেহব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড বন্ধের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসব অপরাধীদের কর্মকান্ডে লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। তাদের বাঁধা দিলে এলাকাবাসীকে উল্টো ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন অপরাধীরা। প্রশাসনে লিখিত গণদরখাস্ত ও মাদক বিরোধী সমাবেশ করার পরও থামছে না তাদের অপরাধ।
এলাকাবাসী লিখিত গণদরখাস্তে জানান, এলাকার ডাঙ্গাপাড়ায় দিনে ও রাতে মাদকের হাট বসছে। দীর্ঘদিন যাবত সেখানে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা, সেবন, চুরি, ডাকাতি, দেহব্যবসাসহ নানা অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে অপরাধী চক্র। এতে করে এলাকার তরুণ ও যুবক সমাজ বিপথগামী হচ্ছে।
এসব অপরাধে যারা জড়িত তাদের নামসহ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, নীলফামারীর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ডিবি অফিসসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে গণদরখাস্ত দেয়া হয়। কিন্ত কোনো ব্যবস্থাই নেয়া হচ্ছে না কোন পক্ষ থেকে। ফলে দোর্দন্ড প্রতাপে অপরাধীরা তাদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন।
গণদরখাস্তে দক্ষিণ নিয়ামতপুর এলাকার মাদক বিক্রেতা হিসাবে সুমন (২৫), মো. ময়নুল ((২৫), চোর ও মাদক সেবক হিসাবে রাসেল (১৬), চোরা কারবারি মাহাবুল (১৮), শামীম (২৭), মনারুল (২২), রফিকের (২০) নাম ঠিকানা দেয়া হয়। একই এলাকার দেহব্যবসায়ী হিসাবে মাহফুজা বেগমের নাম উল্লেখ করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি, বরং আগের মত তারা অপরাধ কর্মকাÐ চালিয়ে যাচ্ছে।
অপরাধীদের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন এলাকার মানুষ। গ্রামের গর-ছাগল, হাঁস-মুরগি, ফল, আবাদি ফসল অভিযুক্তরা চুরি করে নিয়ে যাচ্ছেন। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী গত ২৩ আগষ্ট রাতে দেহব্যবসায়ী ও মাদক কারবারি মাহফুজা বেগমের বাড়ির দরজা, জানালা আংশিক ভেঙ্গে দেন।
এর আগে অপরাধ দমনে স্থানীয়রা গত ২৯ আগষ্ট মাদক বিরোধী সমাবেশও করেন। সে সমাবেশে সৈয়দপুর জেলা বিএনপি সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার ও সাধারণ সম্পাদক শাহিন আকতার, নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সৈয়দপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম হাফিজ, সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে সমাজ বিরোধী অপরাধ কর্মকান্ড বন্ধসহ অপরাধীদের গ্রেফতার ও শাস্তির জোর দাবি জানানো হয়। এই সমাবেশে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, এখন থেকে এলাকায় অপরাধ কর্মকান্ড চলবে না। দ্রæত তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার ঘোষণা দেন তিনি। তিনি অপরাধ দমনে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।
এদিকে থানার ওসির ঘোষণা বাস্তবে কোন প্রতিফলন নেই। বরং জোরেশোরে চলছে অপরাধীদের কারবার চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করতে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সক্রিয় ভ‚মিকা ও সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরের কামারপুকুর ইউনিয়নের দক্ষিণ নিয়ামতপুর গ্রামে মাদক, চুরি ডাকাতি ও দেহব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড বন্ধের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসব অপরাধীদের কর্মকান্ডে লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। তাদের বাঁধা দিলে এলাকাবাসীকে উল্টো ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন অপরাধীরা। প্রশাসনে লিখিত গণদরখাস্ত ও মাদক বিরোধী সমাবেশ করার পরও থামছে না তাদের অপরাধ।
এলাকাবাসী লিখিত গণদরখাস্তে জানান, এলাকার ডাঙ্গাপাড়ায় দিনে ও রাতে মাদকের হাট বসছে। দীর্ঘদিন যাবত সেখানে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা, সেবন, চুরি, ডাকাতি, দেহব্যবসাসহ নানা অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে অপরাধী চক্র। এতে করে এলাকার তরুণ ও যুবক সমাজ বিপথগামী হচ্ছে।
এসব অপরাধে যারা জড়িত তাদের নামসহ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, নীলফামারীর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ডিবি অফিসসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে গণদরখাস্ত দেয়া হয়। কিন্ত কোনো ব্যবস্থাই নেয়া হচ্ছে না কোন পক্ষ থেকে। ফলে দোর্দন্ড প্রতাপে অপরাধীরা তাদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন।
গণদরখাস্তে দক্ষিণ নিয়ামতপুর এলাকার মাদক বিক্রেতা হিসাবে সুমন (২৫), মো. ময়নুল ((২৫), চোর ও মাদক সেবক হিসাবে রাসেল (১৬), চোরা কারবারি মাহাবুল (১৮), শামীম (২৭), মনারুল (২২), রফিকের (২০) নাম ঠিকানা দেয়া হয়। একই এলাকার দেহব্যবসায়ী হিসাবে মাহফুজা বেগমের নাম উল্লেখ করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি, বরং আগের মত তারা অপরাধ কর্মকাÐ চালিয়ে যাচ্ছে।
অপরাধীদের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন এলাকার মানুষ। গ্রামের গর-ছাগল, হাঁস-মুরগি, ফল, আবাদি ফসল অভিযুক্তরা চুরি করে নিয়ে যাচ্ছেন। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী গত ২৩ আগষ্ট রাতে দেহব্যবসায়ী ও মাদক কারবারি মাহফুজা বেগমের বাড়ির দরজা, জানালা আংশিক ভেঙ্গে দেন।
এর আগে অপরাধ দমনে স্থানীয়রা গত ২৯ আগষ্ট মাদক বিরোধী সমাবেশও করেন। সে সমাবেশে সৈয়দপুর জেলা বিএনপি সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার ও সাধারণ সম্পাদক শাহিন আকতার, নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সৈয়দপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম হাফিজ, সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে সমাজ বিরোধী অপরাধ কর্মকান্ড বন্ধসহ অপরাধীদের গ্রেফতার ও শাস্তির জোর দাবি জানানো হয়। এই সমাবেশে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, এখন থেকে এলাকায় অপরাধ কর্মকান্ড চলবে না। দ্রæত তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার ঘোষণা দেন তিনি। তিনি অপরাধ দমনে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।
এদিকে থানার ওসির ঘোষণা বাস্তবে কোন প্রতিফলন নেই। বরং জোরেশোরে চলছে অপরাধীদের কারবার চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করতে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সক্রিয় ভ‚মিকা ও সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন