কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারীতে সারের জন্য হাহাকার চলছে। সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। কয়েকদিন আগে সার লুটের ঘটনার পর আবার কৃষকদের রাস্তা অবরোধের ঘটনায় প্রশাসন বিব্রত বোধ করছে। সার সংকট নিরসনে সরকারের নেয়া নানা উদ্যোগ ভেস্তে যেতে বসেছে। অবরোধ ভাঙ্গতে ইউএনও স্ব শরীরে হাজির হয় ঘটনাস্থলে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সার বিতরণ করার আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায়ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট বাজারে সোনাহাট স্থলবন্দর সড়কে।
স্থানীয়রা জানান,সোনাহাট ইউনিয়নের কৃষকরা সকালে সোনাহাট বাজারে ডিলার পয়েন্ট মেসার্স রাকিবুল ট্রেডার্সে সার নিতে এসে জানতে পারেন আজ সার বিতরণ করা হবে না। এতে কৃষকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ডিলার পয়েন্টের সামনে সোনাহাট স্থলবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। ঘন্টা ব্যাপি অবরোধে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ১১টার দিকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে কৃষকেরা অবরোধ তুলে নেয়। পরে পুলিশ, বিজিবি ও আনসারের উপস্থিতে মেসার্স রাকিবুল ট্রেডার্স সার বিতরণ শুরু করেন। সার বিতরণ কালে লাইনে দাড়ানো নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়।লাইন দিয়ে সার নিতে গিয়ে গাদাগাদি ও হুরোহুরির পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ঘন্টা খানেক সার দেয়ার পর ডিলার আকষ্মিক ভাবে সার বিতরণ বন্ধ করে। এসময় সারের টোকন সংগ্রহ করতে কৃষকদের আবারো হুরোহুরি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। কৃষকদের অভিযোগ সুষ্টুভাবে পরিমানমতো সার পাচ্ছেন না তারা।
দুই তিনদিন ঘুরে একদিন স্বল্প পরিমান সার পেলেও লাইনে ঝক্কিঝামেলা ও রোদে দাড়িয়ে অনেকে অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে। এভাবে সার সংগ্রহে চরম দূর্ভোগে পড়তে হয় কৃষকদের। এছাড়া কাজের সময় তাদের সারের জন্য প্রচুর সময় ব্যয় হচ্ছে। অথচ বৃষ্টি পর জমিতে এখন সারের খুবই চাহিদা। এই সময় সার প্রয়োগ করতে পারলে ফসল ভালো হতো। কিন্তু সার সংকটের কারণে চলছে হাহাকার। সারের জন্য সড়ক অবরোধ ও বিতরণে বিশৃংখলার বিষয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেব নাথ সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি। সার ডিলার রাকিবুল জানান, সঠিক ভাবে প্রকৃত কৃষকদের হাতে সার দিতে কিছুটা সময় লাগছে। সার নিতে এসে অনেকে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন। প্রশাসন এবং কৃষি বিভাগের কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সার বিতরণ করা হচ্ছে। সকালে কিছুটা সমস্যা হলেও এখন সব স্বাভাবিক।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারীতে সারের জন্য হাহাকার চলছে। সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। কয়েকদিন আগে সার লুটের ঘটনার পর আবার কৃষকদের রাস্তা অবরোধের ঘটনায় প্রশাসন বিব্রত বোধ করছে। সার সংকট নিরসনে সরকারের নেয়া নানা উদ্যোগ ভেস্তে যেতে বসেছে। অবরোধ ভাঙ্গতে ইউএনও স্ব শরীরে হাজির হয় ঘটনাস্থলে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সার বিতরণ করার আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায়ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট বাজারে সোনাহাট স্থলবন্দর সড়কে।
স্থানীয়রা জানান,সোনাহাট ইউনিয়নের কৃষকরা সকালে সোনাহাট বাজারে ডিলার পয়েন্ট মেসার্স রাকিবুল ট্রেডার্সে সার নিতে এসে জানতে পারেন আজ সার বিতরণ করা হবে না। এতে কৃষকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ডিলার পয়েন্টের সামনে সোনাহাট স্থলবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। ঘন্টা ব্যাপি অবরোধে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ১১টার দিকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে কৃষকেরা অবরোধ তুলে নেয়। পরে পুলিশ, বিজিবি ও আনসারের উপস্থিতে মেসার্স রাকিবুল ট্রেডার্স সার বিতরণ শুরু করেন। সার বিতরণ কালে লাইনে দাড়ানো নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়।লাইন দিয়ে সার নিতে গিয়ে গাদাগাদি ও হুরোহুরির পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ঘন্টা খানেক সার দেয়ার পর ডিলার আকষ্মিক ভাবে সার বিতরণ বন্ধ করে। এসময় সারের টোকন সংগ্রহ করতে কৃষকদের আবারো হুরোহুরি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। কৃষকদের অভিযোগ সুষ্টুভাবে পরিমানমতো সার পাচ্ছেন না তারা।
দুই তিনদিন ঘুরে একদিন স্বল্প পরিমান সার পেলেও লাইনে ঝক্কিঝামেলা ও রোদে দাড়িয়ে অনেকে অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে। এভাবে সার সংগ্রহে চরম দূর্ভোগে পড়তে হয় কৃষকদের। এছাড়া কাজের সময় তাদের সারের জন্য প্রচুর সময় ব্যয় হচ্ছে। অথচ বৃষ্টি পর জমিতে এখন সারের খুবই চাহিদা। এই সময় সার প্রয়োগ করতে পারলে ফসল ভালো হতো। কিন্তু সার সংকটের কারণে চলছে হাহাকার। সারের জন্য সড়ক অবরোধ ও বিতরণে বিশৃংখলার বিষয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেব নাথ সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি। সার ডিলার রাকিবুল জানান, সঠিক ভাবে প্রকৃত কৃষকদের হাতে সার দিতে কিছুটা সময় লাগছে। সার নিতে এসে অনেকে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন। প্রশাসন এবং কৃষি বিভাগের কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সার বিতরণ করা হচ্ছে। সকালে কিছুটা সমস্যা হলেও এখন সব স্বাভাবিক।

আপনার মতামত লিখুন