নীলফামারীর সৈয়দপুরের রিকশা চালক রাসেল নিখোঁজের ৫ দিন পর রংপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে খোঁজ পেয়ে স্বজনরা রংপুর শহরের ধাপ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে। সেখানে সে ড্রেনের পাশে অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তায় পড়ে ছিল। রিকশা চালক রাসেল সৈয়দপুর শহরের নিয়ামতপুর
সরকারপাড়া এলাকার মহুবার রহমানের ছেলে। ২৭ আগস্ট সকাল ১১ টায় ইট কিনতে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ হন তিনি। রিকশা চালকের বাবা মহুবার রহমান বলেন, ঘটনার দিন সকালে মোবাইলে একটা কল আসে। কথা বলে তাড়াহুড়া করে ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে বের হয়ে যায়। এমনকি নিজের মোবাইলটাও রেখে যায়। পরে খোঁজ না পেয়ে গত ২৮ আগষ্ট থানায় জিডি করি। কিন্তু পুলিশের কাছ থেকে কোন সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন।
এদিকে নিখোঁজ রিকশা চালক রাসেল জানান,ইট কিনতে যাওয়ার পথে আদানি মোড় থেকে প্রশাসনের লোক পরিচয়ে একটা মোটর সাইকেলে ৩ ব্যক্তি তার পথরোধ করে । পরে ২ জন রাসেলকে বাইকে বসিয়ে তুলে নিয়ে যায়।পরে তারাগঞ্জের ইকরচালী এলাকায় মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা ছিনিয়েনেয়। এরপর মারধর করে কেক খাওয়ানো হয়। এরপর সে অজ্ঞান হয়ে যায়। কিভাবে রংপুরে পৌঁছায় তাও জানিনা। জ্ঞান ফিরলে বাড়ি ফিরে আসি। আমার ধারণা বাইকে তুলে নেয়া লোক সৈয়দপুরের এবং পরিচিত কেউ এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরের রিকশা চালক রাসেল নিখোঁজের ৫ দিন পর রংপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে খোঁজ পেয়ে স্বজনরা রংপুর শহরের ধাপ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে। সেখানে সে ড্রেনের পাশে অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তায় পড়ে ছিল। রিকশা চালক রাসেল সৈয়দপুর শহরের নিয়ামতপুর
সরকারপাড়া এলাকার মহুবার রহমানের ছেলে। ২৭ আগস্ট সকাল ১১ টায় ইট কিনতে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ হন তিনি। রিকশা চালকের বাবা মহুবার রহমান বলেন, ঘটনার দিন সকালে মোবাইলে একটা কল আসে। কথা বলে তাড়াহুড়া করে ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে বের হয়ে যায়। এমনকি নিজের মোবাইলটাও রেখে যায়। পরে খোঁজ না পেয়ে গত ২৮ আগষ্ট থানায় জিডি করি। কিন্তু পুলিশের কাছ থেকে কোন সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন।
এদিকে নিখোঁজ রিকশা চালক রাসেল জানান,ইট কিনতে যাওয়ার পথে আদানি মোড় থেকে প্রশাসনের লোক পরিচয়ে একটা মোটর সাইকেলে ৩ ব্যক্তি তার পথরোধ করে । পরে ২ জন রাসেলকে বাইকে বসিয়ে তুলে নিয়ে যায়।পরে তারাগঞ্জের ইকরচালী এলাকায় মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা ছিনিয়েনেয়। এরপর মারধর করে কেক খাওয়ানো হয়। এরপর সে অজ্ঞান হয়ে যায়। কিভাবে রংপুরে পৌঁছায় তাও জানিনা। জ্ঞান ফিরলে বাড়ি ফিরে আসি। আমার ধারণা বাইকে তুলে নেয়া লোক সৈয়দপুরের এবং পরিচিত কেউ এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন