নীলফামারীর সৈয়দপুরে ধর্মীয় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, দেশ ও বিশ্বমানবের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার দিকে শহরের শ্রী শ্রী হীরালাল ঠাকুরবাড়ি মন্দির চত্বর থেকে জন্মাষ্টমী একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। এর আয়োজক ছিলো সৈয়দপুর হিন্দু কল্যাণ সমিতি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট।
এদিন শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে শোভাযাত্রাটি শহীদ তুলশীরাম সড়কে অবস্থিত শ্রীশ্রী গোপাল জিউ মন্দিরে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় সনাতন ধর্মের বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষসহ সহস্রাধিক ভক্ত অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা ধর্মীয় নানা প্রতীক বহন করেন। পরে শ্রী শ্রী গোপাল জিউ মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। অনেক ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপা লাভে মন্দিরে পুজা আর্চনা ও প্রার্থনা করেন। এছাড়াও বিভিন্ন মন্দিরে সকাল থেকে পুজা অর্চনাসহ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভাবাদর্শের ওপর চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
হিন্দু ধর্মের শাস্ত্র মতে দ্বাপর যুগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মথুরায় কংসের কারাগারে বসুদেব দেবকির ঘরে আবির্ভূত হয়েছিলেন। দুষ্টের দমন সৃষ্টের পালন এই বাণী নিয়ে পৃথিবীতে আগমন করেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ধর্মীয় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, দেশ ও বিশ্বমানবের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার দিকে শহরের শ্রী শ্রী হীরালাল ঠাকুরবাড়ি মন্দির চত্বর থেকে জন্মাষ্টমী একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। এর আয়োজক ছিলো সৈয়দপুর হিন্দু কল্যাণ সমিতি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট।
এদিন শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে শোভাযাত্রাটি শহীদ তুলশীরাম সড়কে অবস্থিত শ্রীশ্রী গোপাল জিউ মন্দিরে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় সনাতন ধর্মের বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষসহ সহস্রাধিক ভক্ত অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা ধর্মীয় নানা প্রতীক বহন করেন। পরে শ্রী শ্রী গোপাল জিউ মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। অনেক ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপা লাভে মন্দিরে পুজা আর্চনা ও প্রার্থনা করেন। এছাড়াও বিভিন্ন মন্দিরে সকাল থেকে পুজা অর্চনাসহ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভাবাদর্শের ওপর চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
হিন্দু ধর্মের শাস্ত্র মতে দ্বাপর যুগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মথুরায় কংসের কারাগারে বসুদেব দেবকির ঘরে আবির্ভূত হয়েছিলেন। দুষ্টের দমন সৃষ্টের পালন এই বাণী নিয়ে পৃথিবীতে আগমন করেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।

আপনার মতামত লিখুন