দৈনিক আলাপন

রেলওয়ের দখল হওয়া জায়গা চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করা হবে : রেলমন্ত্রী



রেলওয়ের দখল হওয়া জায়গা চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করা হবে : রেলমন্ত্রী

রেলওয়েতে আমূল পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সৈয়দপুরে রেলওয়ের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ একর জমি দখলমুক্ত করা, মেরামতের অপেক্ষায় থাকা ৪০০ কোচ সচল করা এবং তিন ধাপে ৮০টি লোকোমোটিভ আমদানির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, দেশে যন্ত্রাংশ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রেল যোগাযোগ আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকার আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব রেল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ মো. রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

সৈয়দপুরে রেলের জমি উদ্ধার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, রেলওয়ের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ একর জমি পৌরসভার দখলে রয়েছে। এ নিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও পৌরসভার মধ্যে বিরোধ রয়েছে, যা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। জমিগুলো চিহ্নিত করে সীমানা ও বিবরণ নির্ধারণের কাজ চলছে। এরপর এসব জমি দখলমুক্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, রেলওয়ের জমি প্রথমে রেলের নিজস্ব প্রয়োজনে এবং পরে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। ব্যক্তি ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর ব্যবহারে থাকা জমির ক্ষেত্রেও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে নতুন করে রেলওয়ের জমি লিজ দেওয়া বন্ধ রয়েছে।

রেলওয়েকে আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করার পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে রেলওয়েতে আমূল পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিদ্যমান সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়ানো এবং কোচ মেরামতের মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে মিলিয়ে প্রায় ৪০০ কোচ মেরামতের অপেক্ষায় রয়েছে। এসব কোচ মেরামত করে পুনরায় চলাচলের উপযোগী করতে দক্ষ কারিগর নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, একসময় এ কারখানায় প্রায় ১২ হাজার ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি হতো। বর্তমানে তা কমে ৬৫৪ থেকে ৬৫৫ ধরনের যন্ত্রাংশে নেমে এসেছে। ফলে অনেক যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হচ্ছে। অথচ উদ্যোগ নেওয়া হলে এসব যন্ত্রাংশের অনেকগুলোই দেশে উৎপাদন করা সম্ভব।

পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব রেল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রেল যোগাযোগ আরও উন্নত ও আধুনিক করা হবে। এ জন্য রেল খাতের উন্নয়নে বড় বাজেট বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রেলপথে ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা বাড়াতে তিন ধাপে আরও ৮০টি লোকোমোটিভ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অতীতের সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আগের সরকারগুলো রেলওয়ের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেয়নি। বরং উন্নয়নের নামে অনেকাংশে রেলওয়েকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে।

দেশের প্রায় নয়টি রেলওয়ে হাসপাতাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান মন্ত্রী। রেলওয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসক ও নার্সের মাধ্যমে হাসপাতালগুলোর সেবা নিশ্চিত করতে নানা সীমাবদ্ধতা থাকায় এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) হাবিবুল হাসান রুমি, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় কর্মকর্তা শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ, কর্মব্যবস্থাপক এম মমতাজুল ইসলাম, নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকলিমসহ রেলপথ মন্ত্রণালয় ও রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ এবং কারখানার প্রধান নির্বাহী হাসানুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদল কারখানার বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে। পরে পার্বতীপুরে কারখানা চত্বরে রেলমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক চারটি জলপাইয়ের চারা রোপণ করেন। এরপর কারখানার সম্মেলনকেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

 দৈনিক আলাপন

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


রেলওয়ের দখল হওয়া জায়গা চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করা হবে : রেলমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রেলওয়েতে আমূল পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সৈয়দপুরে রেলওয়ের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ একর জমি দখলমুক্ত করা, মেরামতের অপেক্ষায় থাকা ৪০০ কোচ সচল করা এবং তিন ধাপে ৮০টি লোকোমোটিভ আমদানির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, দেশে যন্ত্রাংশ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রেল যোগাযোগ আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকার আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব রেল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ মো. রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

সৈয়দপুরে রেলের জমি উদ্ধার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, রেলওয়ের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ একর জমি পৌরসভার দখলে রয়েছে। এ নিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও পৌরসভার মধ্যে বিরোধ রয়েছে, যা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। জমিগুলো চিহ্নিত করে সীমানা ও বিবরণ নির্ধারণের কাজ চলছে। এরপর এসব জমি দখলমুক্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, রেলওয়ের জমি প্রথমে রেলের নিজস্ব প্রয়োজনে এবং পরে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। ব্যক্তি ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর ব্যবহারে থাকা জমির ক্ষেত্রেও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে নতুন করে রেলওয়ের জমি লিজ দেওয়া বন্ধ রয়েছে।

রেলওয়েকে আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করার পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে রেলওয়েতে আমূল পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিদ্যমান সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়ানো এবং কোচ মেরামতের মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে মিলিয়ে প্রায় ৪০০ কোচ মেরামতের অপেক্ষায় রয়েছে। এসব কোচ মেরামত করে পুনরায় চলাচলের উপযোগী করতে দক্ষ কারিগর নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, একসময় এ কারখানায় প্রায় ১২ হাজার ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি হতো। বর্তমানে তা কমে ৬৫৪ থেকে ৬৫৫ ধরনের যন্ত্রাংশে নেমে এসেছে। ফলে অনেক যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হচ্ছে। অথচ উদ্যোগ নেওয়া হলে এসব যন্ত্রাংশের অনেকগুলোই দেশে উৎপাদন করা সম্ভব।

পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব রেল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রেল যোগাযোগ আরও উন্নত ও আধুনিক করা হবে। এ জন্য রেল খাতের উন্নয়নে বড় বাজেট বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রেলপথে ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা বাড়াতে তিন ধাপে আরও ৮০টি লোকোমোটিভ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অতীতের সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আগের সরকারগুলো রেলওয়ের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেয়নি। বরং উন্নয়নের নামে অনেকাংশে রেলওয়েকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে।

দেশের প্রায় নয়টি রেলওয়ে হাসপাতাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান মন্ত্রী। রেলওয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসক ও নার্সের মাধ্যমে হাসপাতালগুলোর সেবা নিশ্চিত করতে নানা সীমাবদ্ধতা থাকায় এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) হাবিবুল হাসান রুমি, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় কর্মকর্তা শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ, কর্মব্যবস্থাপক এম মমতাজুল ইসলাম, নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকলিমসহ রেলপথ মন্ত্রণালয় ও রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ এবং কারখানার প্রধান নির্বাহী হাসানুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদল কারখানার বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে। পরে পার্বতীপুরে কারখানা চত্বরে রেলমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক চারটি জলপাইয়ের চারা রোপণ করেন। এরপর কারখানার সম্মেলনকেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন তারা।


 দৈনিক আলাপন

সম্পাদক ও প্রকাশক: আমিনুল হক
নির্বাহী সম্পাদক: কাজী জাহিদ
ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ নুরুন্নবী।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
রেলওয়ের দখল হওয়া জায়গা চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করা হবে : রেলমন্ত্রী
0:00 / 0:00
1x