অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়, রংপুরের পরিচালক মোছা. জিলুফা সুলতানা।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক নুসরাত ফাতেমা, সহকারী পরিচালক মোছা. মনিমুন আকতার, গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার, গঙ্গাচড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং রংপুর সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শিখা রানী রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে। মাঠপর্যায়ে সঠিক তথ্য সংগ্রহই এই কার্যক্রমের মূল ভিত্তি।প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তথ্য সংগ্রহের কৌশল, ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবহার এবং সুপারভাইজারদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এতে রংপুর সদর ও গঙ্গাচড়া উপজেলার ৩০ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২২ অক্টোবর থেকে সারা দেশের মতো গঙ্গাচড়া উপজেলাতেও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ে উপজেলার বড়বিল, গঙ্গাচড়া সদর ও আলমবিদিতর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়, রংপুরের পরিচালক মোছা. জিলুফা সুলতানা।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক নুসরাত ফাতেমা, সহকারী পরিচালক মোছা. মনিমুন আকতার, গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার, গঙ্গাচড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং রংপুর সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শিখা রানী রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে। মাঠপর্যায়ে সঠিক তথ্য সংগ্রহই এই কার্যক্রমের মূল ভিত্তি।প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তথ্য সংগ্রহের কৌশল, ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবহার এবং সুপারভাইজারদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এতে রংপুর সদর ও গঙ্গাচড়া উপজেলার ৩০ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২২ অক্টোবর থেকে সারা দেশের মতো গঙ্গাচড়া উপজেলাতেও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ে উপজেলার বড়বিল, গঙ্গাচড়া সদর ও আলমবিদিতর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন