নীলফামারীর সৈয়দপুরে নগরব্যাপী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা পরিচালনায় পৌরসভা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক বছর মেয়াদি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির আওতায় গৃহস্থালির কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন, পয়ঃবর্জ্য অপসারণ, ভ্যাকুট্যাগ সেবা, পয়ঃবর্জ্য পরিশোধনাগার পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং জৈব সার উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
গতকাল বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে সৈয়দপুর শহরের নয়াবাজার এলাকায় মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্টের হলরুমে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা।
এ সময় বক্তব্য দেন সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আইয়ুব আলী, ভেক্টর ডিজাইন এন্ড সল্যুশনের স্বত্বাধিকারী মো. আরমান চৌধুরী, ওয়াটারএইডের টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট মো. শাখাওয়াত হোসাইন এবং বাসা ফাউন্ডেশনের জেনারেল ম্যানেজার লিটন দত্ত প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাসা ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. শফিকুল আলম।
পরে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা এবং ভেক্টর ডিজাইন এন্ড সল্যুশনের স্বত্বাধিকারী মো. আরমান চৌধুরী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এক বছর মেয়াদি ইজারা চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শামসুন্নাহার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমানসহ ওয়াটারএইড, ভেক্টর ডিজাইন এন্ড সল্যুশন ও বাসা ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা, পৌরসভার বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সৈয়দপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াবাজার এলাকায় এক একর ৭৭ শতক জায়গাজুড়ে মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্টটি গড়ে তোলা হয়েছে। এটি সৈয়দপুর পৌরসভার গৃহস্থালির বর্জ্য ও মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্মিত একটি বর্জ্য শোধনাগার।
২০২১ সাল থেকে প্লান্টটিতে গৃহস্থালির বর্জ্য ও মানববর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে নিরাপদ ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য জৈব সার উৎপাদন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি সৈয়দপুর শহরের পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সৈয়দপুর পৌরসভার তত্ত্বাবধানে এবং ওয়াটারএইডের আর্থিক ও বাসা ফাউন্ডেশনের কারিগরি সহযোগিতায় প্লান্টটি পরিচালিত হয়ে আসছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে নগরব্যাপী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা পরিচালনায় পৌরসভা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক বছর মেয়াদি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির আওতায় গৃহস্থালির কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন, পয়ঃবর্জ্য অপসারণ, ভ্যাকুট্যাগ সেবা, পয়ঃবর্জ্য পরিশোধনাগার পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং জৈব সার উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
গতকাল বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে সৈয়দপুর শহরের নয়াবাজার এলাকায় মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্টের হলরুমে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা।
এ সময় বক্তব্য দেন সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আইয়ুব আলী, ভেক্টর ডিজাইন এন্ড সল্যুশনের স্বত্বাধিকারী মো. আরমান চৌধুরী, ওয়াটারএইডের টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট মো. শাখাওয়াত হোসাইন এবং বাসা ফাউন্ডেশনের জেনারেল ম্যানেজার লিটন দত্ত প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাসা ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. শফিকুল আলম।
পরে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা এবং ভেক্টর ডিজাইন এন্ড সল্যুশনের স্বত্বাধিকারী মো. আরমান চৌধুরী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এক বছর মেয়াদি ইজারা চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শামসুন্নাহার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমানসহ ওয়াটারএইড, ভেক্টর ডিজাইন এন্ড সল্যুশন ও বাসা ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা, পৌরসভার বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সৈয়দপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াবাজার এলাকায় এক একর ৭৭ শতক জায়গাজুড়ে মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্টটি গড়ে তোলা হয়েছে। এটি সৈয়দপুর পৌরসভার গৃহস্থালির বর্জ্য ও মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্মিত একটি বর্জ্য শোধনাগার।
২০২১ সাল থেকে প্লান্টটিতে গৃহস্থালির বর্জ্য ও মানববর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে নিরাপদ ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য জৈব সার উৎপাদন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি সৈয়দপুর শহরের পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সৈয়দপুর পৌরসভার তত্ত্বাবধানে এবং ওয়াটারএইডের আর্থিক ও বাসা ফাউন্ডেশনের কারিগরি সহযোগিতায় প্লান্টটি পরিচালিত হয়ে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন