সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেবী দুর্গার প্রতীমায় শেষ মাটির প্রলেপ লাগানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার মৃৎশিল্পীরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পূজা মণ্ডপ গুলোতে জোরে সোরে চলছে দুর্গাপূজার প্রতীমা তৈরির কাজ। আর কয়েকদিন পরেই শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেবীর গায়ে শেষ মাটির প্রলেপ লাগানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা ।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, তারাগঞ্জ উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে এবার ৬৫ টি মন্ডপে চলছে পূজার প্রস্তুতি। গতবছর এ উপজেলায় পূজা মন্ডপের সংখ্যা ছিল ৬২টি। এবছর তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৬৫টি। এর মধ্যে বড় আকারে পূজার আয়োজন হয়েছে ৩টি মন্ডপে।
এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, তারাগঞ্জ উপজেলায় এ বছর ৬৫টি মন্ডপে পূজা উদযাপন হলেও সরকারি বরাদ্দ এসেছে ৬১টি মন্ডপের। তিনি জানান, পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ প্রথমে ৬১টি মন্ডপের তালিকা দেয়। আমরা সে অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ে চাহিদা দেই। সেই তালিকা অনুযায়ী বরাদ্দ এসেছে। পরবর্তীতে আরো দুই পর্যায়ে পূজা উদযাপন পরিষদ তালিকা দেয়। সেই তালিকা হিসেবে এ উপজেলায় এ বছর ৬৫টি মন্ডপে পূজা উদযাপন হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হরলাল রায় জানান, তালিকা জমা দেওয়ার আগে বিগত বছরের পূজা মন্ডপগুলোর সাথে কথা বলে আমরা শিওর হয়ে তালিকা তৈরি করি। এর মধ্যে নতুন কোন মন্ডপে পূজার আয়োজনের খবর পেলে সেগুলোও যুক্ত করার চেষ্টা করি। কিন্তু কোন কোন পূজা মন্ডপ প্রথমে পূজা হবে না জানালেও শেষ মুহূর্তে এসে আবার পূজা আয়োজনের খবর জানিয়েছে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ তারাগঞ্জ উপজেলার সভাপতি ও হাড়িয়ারকুঠি ইউপি চেয়ারম্যান কুমারেশ রায় বলেন, কোন পূজা মন্ডপ দেরীতে পূজা আয়োজনের খবর জানানোর কারণে বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হলে সে দায়ভার উক্ত মন্ডপের কমিটির। আমরা আশাবাদী প্রশাসনের সহায়তায় বিগত বছরের ন্যায় এবারও শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হবে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেবী দুর্গার প্রতীমায় শেষ মাটির প্রলেপ লাগানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার মৃৎশিল্পীরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পূজা মণ্ডপ গুলোতে জোরে সোরে চলছে দুর্গাপূজার প্রতীমা তৈরির কাজ। আর কয়েকদিন পরেই শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেবীর গায়ে শেষ মাটির প্রলেপ লাগানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা ।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, তারাগঞ্জ উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে এবার ৬৫ টি মন্ডপে চলছে পূজার প্রস্তুতি। গতবছর এ উপজেলায় পূজা মন্ডপের সংখ্যা ছিল ৬২টি। এবছর তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৬৫টি। এর মধ্যে বড় আকারে পূজার আয়োজন হয়েছে ৩টি মন্ডপে।
এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, তারাগঞ্জ উপজেলায় এ বছর ৬৫টি মন্ডপে পূজা উদযাপন হলেও সরকারি বরাদ্দ এসেছে ৬১টি মন্ডপের। তিনি জানান, পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ প্রথমে ৬১টি মন্ডপের তালিকা দেয়। আমরা সে অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ে চাহিদা দেই। সেই তালিকা অনুযায়ী বরাদ্দ এসেছে। পরবর্তীতে আরো দুই পর্যায়ে পূজা উদযাপন পরিষদ তালিকা দেয়। সেই তালিকা হিসেবে এ উপজেলায় এ বছর ৬৫টি মন্ডপে পূজা উদযাপন হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হরলাল রায় জানান, তালিকা জমা দেওয়ার আগে বিগত বছরের পূজা মন্ডপগুলোর সাথে কথা বলে আমরা শিওর হয়ে তালিকা তৈরি করি। এর মধ্যে নতুন কোন মন্ডপে পূজার আয়োজনের খবর পেলে সেগুলোও যুক্ত করার চেষ্টা করি। কিন্তু কোন কোন পূজা মন্ডপ প্রথমে পূজা হবে না জানালেও শেষ মুহূর্তে এসে আবার পূজা আয়োজনের খবর জানিয়েছে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ তারাগঞ্জ উপজেলার সভাপতি ও হাড়িয়ারকুঠি ইউপি চেয়ারম্যান কুমারেশ রায় বলেন, কোন পূজা মন্ডপ দেরীতে পূজা আয়োজনের খবর জানানোর কারণে বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হলে সে দায়ভার উক্ত মন্ডপের কমিটির। আমরা আশাবাদী প্রশাসনের সহায়তায় বিগত বছরের ন্যায় এবারও শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন