নওগাঁর ধামইরহাটে ছাগলে জমির করলা গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে কাশেম (৪২) নামে এক ব্যাক্তি নিহতের ঘটনায় এজাহারনামীয় ৭জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এসময় হত্যার কাজে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
মামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবার (২অক্টোবর) রাতেই জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৩অক্টোবর) দুপুর দুইটার দিকে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), মৃত আব্দুল গফুরের দুই ছেলে আব্দুল হাকিম (৬০) ও মোঃ কফিল উদ্দিন (৬৫), ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী আকলিমা বেগম (৩৫), মৃত ইসমাইল হোসেনের মেয়ে হামিদা বেগম (৩৮), আব্দুল হাকিমের স্ত্রী ফরিদা বেগম (৫০) এবং রাকিবুল ইসলাম রনির স্ত্রী জিয়াসমিন বেগম (২১)। তারা সকলেই একই পরিবারের মা-বাবা ও চাচা-চাচী এবং ছেলে ও ছেলের বউ।
এবং নিহত আবুল কাশেম ওই গ্রামের মৃত রাজ মাহমুদ মন্ডলের ছেলে। আর আহতরা হলেন—নিহতের বড় ভাই মুক্তার আলী, ভাইয়ের স্ত্রী রেখা বেগম, বড় ভাই বদিউল ইসলাম এবং ছোট ভাই ইমরান আলী।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় একই গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. রাকিবুল ইসলাম রনির (৩৫) জমির করলা গাছ খেয়ে ফেলে একটি ছাগল। এ নিয়ে কৃষক আবুল কাশেম ও রনির পরিবারের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে সংঘর্ষে রূপ নেয়। মারামারির সময় অভিযুক্ত রনি ধারালো চাকু দিয়ে আবুল কাশেমকে উপর্যুপরি আঘাত করেন। এবং কাশেমসহ মোট পাঁচজন গুরুতর জখম হয়ে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে আহত আবুল কাশেম মৃত্যুবরণ করেন। তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে। অপর জখমীরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। এই ঘটনায় নিহত কাশেমের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধান ও সার্বিক দিকনির্দেশনায় ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন জায়গায় রাতব্যাপী অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় ৭আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
এসপি তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ সেখানে যায় এবং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে। পরে হত্যা মামলা দায়ের হলে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঘটনার রাতেই ৭আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানালেন ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিন্টু রহমান।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাটে ছাগলে জমির করলা গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে কাশেম (৪২) নামে এক ব্যাক্তি নিহতের ঘটনায় এজাহারনামীয় ৭জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এসময় হত্যার কাজে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
মামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবার (২অক্টোবর) রাতেই জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৩অক্টোবর) দুপুর দুইটার দিকে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), মৃত আব্দুল গফুরের দুই ছেলে আব্দুল হাকিম (৬০) ও মোঃ কফিল উদ্দিন (৬৫), ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী আকলিমা বেগম (৩৫), মৃত ইসমাইল হোসেনের মেয়ে হামিদা বেগম (৩৮), আব্দুল হাকিমের স্ত্রী ফরিদা বেগম (৫০) এবং রাকিবুল ইসলাম রনির স্ত্রী জিয়াসমিন বেগম (২১)। তারা সকলেই একই পরিবারের মা-বাবা ও চাচা-চাচী এবং ছেলে ও ছেলের বউ।
এবং নিহত আবুল কাশেম ওই গ্রামের মৃত রাজ মাহমুদ মন্ডলের ছেলে। আর আহতরা হলেন—নিহতের বড় ভাই মুক্তার আলী, ভাইয়ের স্ত্রী রেখা বেগম, বড় ভাই বদিউল ইসলাম এবং ছোট ভাই ইমরান আলী।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় একই গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. রাকিবুল ইসলাম রনির (৩৫) জমির করলা গাছ খেয়ে ফেলে একটি ছাগল। এ নিয়ে কৃষক আবুল কাশেম ও রনির পরিবারের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে সংঘর্ষে রূপ নেয়। মারামারির সময় অভিযুক্ত রনি ধারালো চাকু দিয়ে আবুল কাশেমকে উপর্যুপরি আঘাত করেন। এবং কাশেমসহ মোট পাঁচজন গুরুতর জখম হয়ে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে আহত আবুল কাশেম মৃত্যুবরণ করেন। তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে। অপর জখমীরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। এই ঘটনায় নিহত কাশেমের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধান ও সার্বিক দিকনির্দেশনায় ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন জায়গায় রাতব্যাপী অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় ৭আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
এসপি তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ সেখানে যায় এবং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে। পরে হত্যা মামলা দায়ের হলে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঘটনার রাতেই ৭আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানালেন ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিন্টু রহমান।

আপনার মতামত লিখুন