দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সরকারী ডাক বিভাগের ‘স্পিড পোস্ট’ সেবা। চলতি বছরের জুলাই থেকে নীলফামারী প্রধান ডাকঘর ছাড়াও উপজেলা পর্যায়ে ডাকঘরগুলোতে শুরু হয়েছে সরকারের বিশেষ এই ডাক সেবা কার্যক্রম। সাধারণ ডকুমেন্টস, সঞ্চয় ব্যাংক, জিইপি ও রেজিস্ট্রি সেবার পাশাপাশি নতুন এই সেবা কার্যক্রম ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে গ্রাহকদের মধ্যে।
নীলফামারী প্রধান ডাকঘর সুত্র জানায়, চলতি বছরের জুলাই থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্পিড পোস্টের মাধ্যমে ৩০৯টি পার্সেল পাঠানো হয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। এ থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছে ২২হাজার ৫৩৬টাকা। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ২৯৭টি পার্সেল ডেলিভারী দেয়া হয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে। গেল তিনমাসে ১২হাজার ৮৭টি ডকুমেন্টস বুকিং করা হয়। এতে সরকারের আয় হয় ১লাখ ৩২হাজার ২২টাকা। এরমধ্যে রেজিস্ট্রি চিঠি ছিলো ১১হাজার ৬০৫টি।
নীলফামারী প্রধান ডাকঘরে আসা নীলফামারী মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করা ডা. সুমাইয়া সুলতানা জানান, পড়াশোনা শেষ হওয়ায় প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও বইপত্রসহ বিভিন্ন দ্রব্যাদি পাঠাবো মৌলভীবাজারে। এজন্য এখানে এসেছি। আমার ১৭৩ কেজি মালামাল পাঠাতে খরচ হয়েছে মাত্র দেড় হাজার টাকা। এসব মালামাল কুরিয়ার সার্ভিস যোগে পাঠাতে খরচ হতো ৫হাজার টাকার মত। সেখানে অত্যন্ত কম খরচে নিরাপদে পাঠাতে পারছি আমি। চিকিৎসক সুমাইয়া সুলতানা জানান, আমার বন্ধুদের কাছে খবর নিয়ে আমি এখানে আসি এবং এই সেবা নিরাপদ মনে হয়েছে।
ডাকঘর সুত্র জানায়, প্রথম কেজি ১১টাকা এবং পরের কেজি ৫টাকা হারে চার্জ নেয়া হয় স্পিড পোস্টে। বিকেলে ও রাতে বুকিং হওয়া মালামাল প্রেরণ করা হয় পাবর্তীপুরে। সেখান থেকে রাষ্ট্রীয় ডাকযোগে প্রেরণ করা হয় ঢাকায়। তিতুমীর এক্সপ্রেস ও রুপসা এক্সপ্রেস যোগে পার্বতীপুরে পাঠানো হয় এসব মালামাল।
স্পিড পোস্টের সেবা নিয়ে খুশি শিক্ষার্থী সাদিকা আনজুম সুবাহ্ বলেন, এটা আমার কাছে অত্যন্ত নিরাপদ মনে হয়েছে কারণ এই সেবা সরকারী। কোন নিরাপত্তার অভাব নেই, যথাসময়ে পৌঁছে যাচ্ছে এবং খরচও কম। এক্ষেত্রে কুরিয়ার সার্ভিসের চেয়েও সুবিধা বেশি।
নীলফামারী প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার মোঃ শামসুজ্জোহা বলেন, আমরা সপ্তাহের সাতদিনই সেবা দিয়ে থাকি। শুক্রবারও যদি পার্সেল আসে সেটা আমরা ডেলিভারী দিয়ে থাকি। আমাদের এখানে মুল সমস্যা হলো গাড়ি না থাকা। যদি নিজস্ব গাড়ি থাকতো তাহলে তাহলে দুর্ভোগ কমে আসতো। পাবর্তীপুরে গিয়ে আমাদের ডাক দিয়ে আসতে হতো না। পাশাপাশি এখান থেকে সরাসরি বিভিন্ন উপজেলায় গিয়ে পার্সেল ডেলিভারী করা হতো। শুধু তাই নয় দ্রুত কাঁচা জিনিস পত্র শাক সবজি পাঠানো যাবে এখান থেকে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সরকারী ডাক বিভাগের ‘স্পিড পোস্ট’ সেবা। চলতি বছরের জুলাই থেকে নীলফামারী প্রধান ডাকঘর ছাড়াও উপজেলা পর্যায়ে ডাকঘরগুলোতে শুরু হয়েছে সরকারের বিশেষ এই ডাক সেবা কার্যক্রম। সাধারণ ডকুমেন্টস, সঞ্চয় ব্যাংক, জিইপি ও রেজিস্ট্রি সেবার পাশাপাশি নতুন এই সেবা কার্যক্রম ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে গ্রাহকদের মধ্যে।
নীলফামারী প্রধান ডাকঘর সুত্র জানায়, চলতি বছরের জুলাই থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্পিড পোস্টের মাধ্যমে ৩০৯টি পার্সেল পাঠানো হয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। এ থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছে ২২হাজার ৫৩৬টাকা। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ২৯৭টি পার্সেল ডেলিভারী দেয়া হয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে। গেল তিনমাসে ১২হাজার ৮৭টি ডকুমেন্টস বুকিং করা হয়। এতে সরকারের আয় হয় ১লাখ ৩২হাজার ২২টাকা। এরমধ্যে রেজিস্ট্রি চিঠি ছিলো ১১হাজার ৬০৫টি।
নীলফামারী প্রধান ডাকঘরে আসা নীলফামারী মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করা ডা. সুমাইয়া সুলতানা জানান, পড়াশোনা শেষ হওয়ায় প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও বইপত্রসহ বিভিন্ন দ্রব্যাদি পাঠাবো মৌলভীবাজারে। এজন্য এখানে এসেছি। আমার ১৭৩ কেজি মালামাল পাঠাতে খরচ হয়েছে মাত্র দেড় হাজার টাকা। এসব মালামাল কুরিয়ার সার্ভিস যোগে পাঠাতে খরচ হতো ৫হাজার টাকার মত। সেখানে অত্যন্ত কম খরচে নিরাপদে পাঠাতে পারছি আমি। চিকিৎসক সুমাইয়া সুলতানা জানান, আমার বন্ধুদের কাছে খবর নিয়ে আমি এখানে আসি এবং এই সেবা নিরাপদ মনে হয়েছে।
ডাকঘর সুত্র জানায়, প্রথম কেজি ১১টাকা এবং পরের কেজি ৫টাকা হারে চার্জ নেয়া হয় স্পিড পোস্টে। বিকেলে ও রাতে বুকিং হওয়া মালামাল প্রেরণ করা হয় পাবর্তীপুরে। সেখান থেকে রাষ্ট্রীয় ডাকযোগে প্রেরণ করা হয় ঢাকায়। তিতুমীর এক্সপ্রেস ও রুপসা এক্সপ্রেস যোগে পার্বতীপুরে পাঠানো হয় এসব মালামাল।
স্পিড পোস্টের সেবা নিয়ে খুশি শিক্ষার্থী সাদিকা আনজুম সুবাহ্ বলেন, এটা আমার কাছে অত্যন্ত নিরাপদ মনে হয়েছে কারণ এই সেবা সরকারী। কোন নিরাপত্তার অভাব নেই, যথাসময়ে পৌঁছে যাচ্ছে এবং খরচও কম। এক্ষেত্রে কুরিয়ার সার্ভিসের চেয়েও সুবিধা বেশি।
নীলফামারী প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার মোঃ শামসুজ্জোহা বলেন, আমরা সপ্তাহের সাতদিনই সেবা দিয়ে থাকি। শুক্রবারও যদি পার্সেল আসে সেটা আমরা ডেলিভারী দিয়ে থাকি। আমাদের এখানে মুল সমস্যা হলো গাড়ি না থাকা। যদি নিজস্ব গাড়ি থাকতো তাহলে তাহলে দুর্ভোগ কমে আসতো। পাবর্তীপুরে গিয়ে আমাদের ডাক দিয়ে আসতে হতো না। পাশাপাশি এখান থেকে সরাসরি বিভিন্ন উপজেলায় গিয়ে পার্সেল ডেলিভারী করা হতো। শুধু তাই নয় দ্রুত কাঁচা জিনিস পত্র শাক সবজি পাঠানো যাবে এখান থেকে।

আপনার মতামত লিখুন