দৈনিক আলাপন

ওয়াকফ এস্টেটের জমি বিক্রি : উঠছে একের পর এক বহুতল ভবন!



ওয়াকফ এস্টেটের জমি বিক্রি : উঠছে একের পর এক বহুতল ভবন!

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের জসিম বাজার এলাকায় ওয়াকফের প্রায় ৯০ শতক জমিতে গড়ে উঠছে একের পর এক বহুতল ভবন। কোথাও পাঁচতলা ভবনের নির্মাণ শেষ হয়েছে, কোথাও চলছে নতুন ভবনের ফাউন্ডেশন, আবার কোথাও চলছে নির্মাণকাজ। নির্মাণকারীদের দাবি, ওয়াকফের জমি জেনেই তারা মোতোয়াল্লীর কাছ থেকে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে ৯৯ বছরের জন্য ‘পজেশন' ক্রয় করে নিয়েছেন। তবে দীর্ঘমেয়াদি এই পজেশন বিক্রির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সংলগ্ন বাগডোকরা জামে মসজিদ ও সংশ্লিষ্ট ওয়াকফ এস্টেটের প্রায় ৯০ শতক জমিতে বাড়ি নির্মাণের এমন চিত্র দেখা গেছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য, সরেজমিন পর্যবেক্ষণ এবং ওই জমিতে নির্মাণকারী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এরই মধ্যে প্রায় ৮ থেকে ১০টি বহুতল ভবনের নির্মাণ শেষ হয়েছে। আরও ১০ থেকে ১৫টি ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। জমির বিভিন্ন অংশে প্লটের মতো করে স্থাপনা গড়ে উঠেছে।

ওই জমিতে নির্মাণকারী কয়েকজন জানান, তারা জমিগুলো ওয়াকফ সম্পত্তি এ বিষয়টি জানেন। তবে জমি প্রচলিত রেজিস্ট্রি বা কবলা দলিলের মাধ্যমে নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, ওয়াকফ এস্টেটের মোতোয়াল্লীর কাছ থেকে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে ৯৯ বছরের জন্য ‘পজেশন’ নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাঁচতলা ভবন নির্মাণকারী এক ব্যক্তি বলেন, “জমিগুলো মসজিদের নামে ওয়াকফ করা। তাই বিক্রিযোগ্য নয়। মোতোয়াল্লী স্ট্যাম্প করে পজেশন দিয়েছেন। এরপর নকশা অনুমোদন নিয়ে বাড়ি করেছি।”

একই জমিতে পাঁচতলা ভবন নির্মাণকারী আরেক ব্যক্তি বলেন, “ওয়াকফ এস্টেটের জমি জেনেই নিয়েছি। সাব-রেজিস্ট্রি বা কবলা দলিল হয়নি। মোতোয়াল্লী স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে পজেশন হস্তান্তর করেছেন। এরপর নকশা অনুমোদন নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করছি।”

তবে ৯৯ বছরের মতো দীর্ঘ মেয়াদের পজেশন দেওয়ার ক্ষেত্রে ওয়াকফ প্রশাসনের অনুমোদন, বিশেষ কমিটির সুপারিশ কিংবা সরকারের অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না এ বিষয়ে নির্মাণকারীদের বক্তব্যের বাইরে কোনো সরকারি নথি প্রতিবেদকের হাতে আসেনি।

ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইন নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার কথা বলেছে। ওয়াক্‌ফ (সম্পত্তি হস্তান্তর ও উন্নয়ন) বিশেষ বিধান আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, ওয়াকফ সম্পত্তি পাঁচ বছরের বেশি মেয়াদে ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ কমিটির সুপারিশ ও সরকারের অনুমোদনের বিধান রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ইজারার ক্ষেত্রেও আইনে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ১০৭ ধারায় এক বছরের বেশি মেয়াদের স্থাবর সম্পত্তির ইজারা নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে করার বিধান রয়েছে। রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর ১৭ ধারাতেও এক বছরের বেশি মেয়াদের স্থাবর সম্পত্তির ইজারা নিবন্ধনের আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

তবে জসিম বাজারের জমির ক্ষেত্রে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে করা ‘পজেশন’ কাগজটি আইনগতভাবে কী ধরনের অধিকার সৃষ্টি করেছে, তা মূল দলিলের ভাষা ও শর্ত পর্যালোচনা না করে চূড়ান্তভাবে বলা সম্ভব নয়। ফলে ওই দলিলটি ইজারা, দখল হস্তান্তর বা অন্য কোনো ধরনের চুক্তি কি না, সেটিও নথি যাচাইয়ের বিষয়।

নির্মাণকারীদের কয়েকজন দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নকশা অনুমোদন নিয়েই তারা ভবন নির্মাণ করছেন। তবে ওয়াকফ সম্পত্তির ওপর এসব বহুতল ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে শুধু নকশা অনুমোদনই নয়, জমি ব্যবহারের বৈধতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

এ বিষয়ে মুঠোফোন কথা হলে কামারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদ এসব ভবনের নকশা অনুমোদন দেয়নি।”

অন্যদিকে, নির্মাণকারীদের কয়েকজন নকশা অনুমোদনের দাবি করায় বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয়েছে ভিন্ন বক্তব্য। ফলে কোন ভবনের নকশা কোন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন করেছে এবং সেই অনুমোদনের নথি কোথায়, তা যাচাই করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

এলাকার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, ওয়াকফ সম্পত্তির মতো ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত জমি দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা থাকা জরুরি।

একজন সচেতন নাগরিক বলেন, “ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যক্তিগতভাবে ৯৯ বছরের জন্য পজেশন দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত হওয়া দরকার। জমির প্রকৃত মালিকানা, পজেশন দেওয়ার ক্ষমতা এবং পুরো প্রক্রিয়াটি নথিপত্রের মাধ্যমে পরিষ্কার করা উচিত।”

আরেকজন বলেন, “একই জায়গায় এতগুলো বহুতল ভবন নির্মাণ হচ্ছে এটি কীভাবে সম্ভব হলো, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং জমির কাগজপত্র যাচাই করা জরুরি।”

বিষয়টি জানতে  মুঠোফোনে ঢাকা অঞ্চল-০১ ও ০৩ এবং রংপুর বিভাগের সহকারী ওয়াক্‌ফ প্রশাসক (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ জহুরুল হক তরফদারের সঙ্গে।

তিনি বলেন, “এ জমি কেউ বিক্রি করতে পারেন না। আমরা যদি অভিযোগ পাই বা কেউ আমাদের অভিযোগ দেয়, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এক মাসের মধ্যে পুরো জমির সবকিছু উচ্ছেদ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

 দৈনিক আলাপন

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


ওয়াকফ এস্টেটের জমি বিক্রি : উঠছে একের পর এক বহুতল ভবন!

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের জসিম বাজার এলাকায় ওয়াকফের প্রায় ৯০ শতক জমিতে গড়ে উঠছে একের পর এক বহুতল ভবন। কোথাও পাঁচতলা ভবনের নির্মাণ শেষ হয়েছে, কোথাও চলছে নতুন ভবনের ফাউন্ডেশন, আবার কোথাও চলছে নির্মাণকাজ। নির্মাণকারীদের দাবি, ওয়াকফের জমি জেনেই তারা মোতোয়াল্লীর কাছ থেকে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে ৯৯ বছরের জন্য ‘পজেশন' ক্রয় করে নিয়েছেন। তবে দীর্ঘমেয়াদি এই পজেশন বিক্রির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সংলগ্ন বাগডোকরা জামে মসজিদ ও সংশ্লিষ্ট ওয়াকফ এস্টেটের প্রায় ৯০ শতক জমিতে বাড়ি নির্মাণের এমন চিত্র দেখা গেছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য, সরেজমিন পর্যবেক্ষণ এবং ওই জমিতে নির্মাণকারী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এরই মধ্যে প্রায় ৮ থেকে ১০টি বহুতল ভবনের নির্মাণ শেষ হয়েছে। আরও ১০ থেকে ১৫টি ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। জমির বিভিন্ন অংশে প্লটের মতো করে স্থাপনা গড়ে উঠেছে।

ওই জমিতে নির্মাণকারী কয়েকজন জানান, তারা জমিগুলো ওয়াকফ সম্পত্তি এ বিষয়টি জানেন। তবে জমি প্রচলিত রেজিস্ট্রি বা কবলা দলিলের মাধ্যমে নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, ওয়াকফ এস্টেটের মোতোয়াল্লীর কাছ থেকে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে ৯৯ বছরের জন্য ‘পজেশন’ নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাঁচতলা ভবন নির্মাণকারী এক ব্যক্তি বলেন, “জমিগুলো মসজিদের নামে ওয়াকফ করা। তাই বিক্রিযোগ্য নয়। মোতোয়াল্লী স্ট্যাম্প করে পজেশন দিয়েছেন। এরপর নকশা অনুমোদন নিয়ে বাড়ি করেছি।”

একই জমিতে পাঁচতলা ভবন নির্মাণকারী আরেক ব্যক্তি বলেন, “ওয়াকফ এস্টেটের জমি জেনেই নিয়েছি। সাব-রেজিস্ট্রি বা কবলা দলিল হয়নি। মোতোয়াল্লী স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে পজেশন হস্তান্তর করেছেন। এরপর নকশা অনুমোদন নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করছি।”

তবে ৯৯ বছরের মতো দীর্ঘ মেয়াদের পজেশন দেওয়ার ক্ষেত্রে ওয়াকফ প্রশাসনের অনুমোদন, বিশেষ কমিটির সুপারিশ কিংবা সরকারের অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না এ বিষয়ে নির্মাণকারীদের বক্তব্যের বাইরে কোনো সরকারি নথি প্রতিবেদকের হাতে আসেনি।

ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইন নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার কথা বলেছে। ওয়াক্‌ফ (সম্পত্তি হস্তান্তর ও উন্নয়ন) বিশেষ বিধান আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, ওয়াকফ সম্পত্তি পাঁচ বছরের বেশি মেয়াদে ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ কমিটির সুপারিশ ও সরকারের অনুমোদনের বিধান রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ইজারার ক্ষেত্রেও আইনে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ১০৭ ধারায় এক বছরের বেশি মেয়াদের স্থাবর সম্পত্তির ইজারা নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে করার বিধান রয়েছে। রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর ১৭ ধারাতেও এক বছরের বেশি মেয়াদের স্থাবর সম্পত্তির ইজারা নিবন্ধনের আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

তবে জসিম বাজারের জমির ক্ষেত্রে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে করা ‘পজেশন’ কাগজটি আইনগতভাবে কী ধরনের অধিকার সৃষ্টি করেছে, তা মূল দলিলের ভাষা ও শর্ত পর্যালোচনা না করে চূড়ান্তভাবে বলা সম্ভব নয়। ফলে ওই দলিলটি ইজারা, দখল হস্তান্তর বা অন্য কোনো ধরনের চুক্তি কি না, সেটিও নথি যাচাইয়ের বিষয়।

নির্মাণকারীদের কয়েকজন দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নকশা অনুমোদন নিয়েই তারা ভবন নির্মাণ করছেন। তবে ওয়াকফ সম্পত্তির ওপর এসব বহুতল ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে শুধু নকশা অনুমোদনই নয়, জমি ব্যবহারের বৈধতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

এ বিষয়ে মুঠোফোন কথা হলে কামারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদ এসব ভবনের নকশা অনুমোদন দেয়নি।”

অন্যদিকে, নির্মাণকারীদের কয়েকজন নকশা অনুমোদনের দাবি করায় বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয়েছে ভিন্ন বক্তব্য। ফলে কোন ভবনের নকশা কোন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন করেছে এবং সেই অনুমোদনের নথি কোথায়, তা যাচাই করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

এলাকার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, ওয়াকফ সম্পত্তির মতো ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত জমি দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা থাকা জরুরি।

একজন সচেতন নাগরিক বলেন, “ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যক্তিগতভাবে ৯৯ বছরের জন্য পজেশন দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত হওয়া দরকার। জমির প্রকৃত মালিকানা, পজেশন দেওয়ার ক্ষমতা এবং পুরো প্রক্রিয়াটি নথিপত্রের মাধ্যমে পরিষ্কার করা উচিত।”

আরেকজন বলেন, “একই জায়গায় এতগুলো বহুতল ভবন নির্মাণ হচ্ছে এটি কীভাবে সম্ভব হলো, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং জমির কাগজপত্র যাচাই করা জরুরি।”

বিষয়টি জানতে  মুঠোফোনে ঢাকা অঞ্চল-০১ ও ০৩ এবং রংপুর বিভাগের সহকারী ওয়াক্‌ফ প্রশাসক (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ জহুরুল হক তরফদারের সঙ্গে।

তিনি বলেন, “এ জমি কেউ বিক্রি করতে পারেন না। আমরা যদি অভিযোগ পাই বা কেউ আমাদের অভিযোগ দেয়, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এক মাসের মধ্যে পুরো জমির সবকিছু উচ্ছেদ করা হবে।


 দৈনিক আলাপন

সম্পাদক ও প্রকাশক: আমিনুল হক
নির্বাহী সম্পাদক: কাজী জাহিদ
ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ নুরুন্নবী।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়াকফ এস্টেটের জমি বিক্রি : উঠছে একের পর এক বহুতল ভবন!
0:00 / 0:00
1x