দৈনিক আলাপন

সৈয়দপুরে চুরি-ছিনতাইয়ের দাপট, বদলেছে কৌশল



সৈয়দপুরে চুরি-ছিনতাইয়ের দাপট, বদলেছে কৌশল

সকাল তখনও পুরোপুরি জমে ওঠেনি। সৈয়দপুর শহরের ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা ধীরে ধীরে মানুষের পদচারণায় মুখর হচ্ছে। দোকানের শাটার উঠছে, ক্রেতারা আসছেন, সড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ। এরই মধ্যে দোকান খুলতে এসে দুই ব্যবসায়ী দেখলেন, ভেতরের চিত্রটা অন্যরকম। এলোমেলো পড়ে আছে মালামাল। নেই মোবাইল ফোন, নেই রুপা-গহনা, নেই মূল্যবান পণ্য।

ঘটনাটি গত ১৫ সেপ্টেম্বরের। সৈয়দপুর প্লাজা মার্কেটের নিচতলায় ইনফিনিক্স মোবাইল শোরুম ও বিদ্যুৎ জুয়েলার্সে চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুই দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ মালামাল খোয়া যাওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন ওঠে মার্কেটের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও।

ইনফিনিক্সের মালিক আহাদ আহমেদের দাবি, তার দোকান থেকে প্রায় ৮০টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। যার মূল্য ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। বিদ্যুৎ জুয়েলার্সের মালিক মো. আসিফ খান টিপুর দাবি, তার দোকান থেকে প্রায় ৪২ থেকে ৪৫ লাখ টাকার রুপা ও গহনা নিয়ে গেছে চোরেরা।

ঘটনার পর দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন করেন ব্যবসায়ীরা। মার্কেটের ব্যবসায়ী আবু হাসান বলেন, চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পরও নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়।

তবে সৈয়দপুরে চুরি-ছিনতাইয়ের চিত্র শুধু একটি মার্কেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গত আগস্ট থেকে চলতি সেপ্টেম্বর মাসে শহরের বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল ফোন, ভ্যান, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চুরি-ছিনতাইয়ের একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাগুলোর ধরনও এক নয়।

গত ১১ আগস্ট সৈয়দপুর-পার্বতীপুর সড়কে তন্ময় নামে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের আইফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে। মোটরসাইকেল আরোহীরা তার ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পরে জিডি করা হলেও ফোন উদ্ধারের তথ্য পাওয়া যায়নি।

২৬ আগস্ট স্ত্রীকে নিয়ে রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন আরিফুজ্জামান। মোবাইলে কথা বলার সময় পেছন থেকে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি তার ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায়ও জিডি করা হয়।

এরপর ৩১ আগস্ট কুন্দল এলাকায় রিকশায় থাকা আশরাফ উদ্দিনের মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে। মোটরসাইকেল আরোহীরা ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পরপর এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শুধু মোবাইল নয়, যানবাহনও হয়ে উঠছে ছিনতাইকারীদের লক্ষ্য। গত ২৭ আগস্ট সৈয়দপুর-পার্বতীপুর সড়কে রেজওয়ান নামে এক চালকের ভ্যান ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে। যাত্রী সেজে কয়েকজন তার ভ্যানে ওঠে। পরে তাকে পান কিনে আনার কথা বলে নামিয়ে দিয়ে ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

এরপর আসে আরও ভিন্ন ধরনের অভিযোগ। গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে অটোরিকশাচালক শহীদুল ইসলামকে (৫০) খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ানোর অভিযোগ ওঠে। পরে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তার অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায় একটি চক্র বলে অভিযোগ। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে শহরের চৌধুরী টাওয়ারের সামনে থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ধলাগাছ আদানীপাড়া এলাকায় হাজিজুল ইসলামের বাসার সামনে থেকেও মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, মোটরসাইকেলটি রাখার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেটি চুরি হয়ে যায়। একই মাসে একটি খেলার মাঠ থেকে ফাহিমের মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের তথ্যও পাওয়া গেছে।

এসব ঘটনার বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা আগের তুলনায় বেড়েছে। স্কুল শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম সবুজ বলেন, এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে। অপরাধ ঠেকাতে পুলিশের নজরদারি ও টহল আরও বাড়ানো প্রয়োজন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও বলছেন, শুধু ঘটনার পর তদন্ত নয়, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও বাজারগুলোতে আগে থেকেই নজরদারি বাড়ানো দরকার।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, পুলিশি টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

সৈয়দপুর দেশের উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও যোগাযোগকেন্দ্র। রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও বিমানবন্দরকে ঘিরে প্রতিদিনই ব্যস্ত থাকে শহরটি। এমন একটি শহরে সাম্প্রতিক সময়ে চুরি-ছিনতাইয়ের নানা কৌশলের অভিযোগ সামনে আসায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

তবে এসব ঘটনা পুরো শহরের অপরাধ পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান নয়। কিন্তু একের পর এক অভিযোগে যে বিষয়টি সামনে এসেছে, তা হলো চুরি-ছিনতাইয়ের ধরন বদলাচ্ছে। কোথাও মোবাইল, কোথাও মোটরসাইকেল, কোথাও ভ্যান বা অটোরিকশা; আবার কোথাও চেতনানাশক ব্যবহারের অভিযোগ।

এখন দেখার বিষয়, এসব ঘটনায় করা জিডি ও অভিযোগের কতগুলোতে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার হয় এবং কতগুলো ঘটনায় জড়িতরা আইনের আওতায় আসে। পাশাপাশি, ঘটনার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আগেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে নিরাপত্তা জোরদার করা যায় কি না সেদিকেও নজর দিচ্ছেন শহরবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

 দৈনিক আলাপন

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


সৈয়দপুরে চুরি-ছিনতাইয়ের দাপট, বদলেছে কৌশল

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সকাল তখনও পুরোপুরি জমে ওঠেনি। সৈয়দপুর শহরের ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা ধীরে ধীরে মানুষের পদচারণায় মুখর হচ্ছে। দোকানের শাটার উঠছে, ক্রেতারা আসছেন, সড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ। এরই মধ্যে দোকান খুলতে এসে দুই ব্যবসায়ী দেখলেন, ভেতরের চিত্রটা অন্যরকম। এলোমেলো পড়ে আছে মালামাল। নেই মোবাইল ফোন, নেই রুপা-গহনা, নেই মূল্যবান পণ্য।

ঘটনাটি গত ১৫ সেপ্টেম্বরের। সৈয়দপুর প্লাজা মার্কেটের নিচতলায় ইনফিনিক্স মোবাইল শোরুম ও বিদ্যুৎ জুয়েলার্সে চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুই দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ মালামাল খোয়া যাওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন ওঠে মার্কেটের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও।

ইনফিনিক্সের মালিক আহাদ আহমেদের দাবি, তার দোকান থেকে প্রায় ৮০টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। যার মূল্য ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। বিদ্যুৎ জুয়েলার্সের মালিক মো. আসিফ খান টিপুর দাবি, তার দোকান থেকে প্রায় ৪২ থেকে ৪৫ লাখ টাকার রুপা ও গহনা নিয়ে গেছে চোরেরা।

ঘটনার পর দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন করেন ব্যবসায়ীরা। মার্কেটের ব্যবসায়ী আবু হাসান বলেন, চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পরও নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়।

তবে সৈয়দপুরে চুরি-ছিনতাইয়ের চিত্র শুধু একটি মার্কেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গত আগস্ট থেকে চলতি সেপ্টেম্বর মাসে শহরের বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল ফোন, ভ্যান, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চুরি-ছিনতাইয়ের একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাগুলোর ধরনও এক নয়।

গত ১১ আগস্ট সৈয়দপুর-পার্বতীপুর সড়কে তন্ময় নামে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের আইফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে। মোটরসাইকেল আরোহীরা তার ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পরে জিডি করা হলেও ফোন উদ্ধারের তথ্য পাওয়া যায়নি।

২৬ আগস্ট স্ত্রীকে নিয়ে রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন আরিফুজ্জামান। মোবাইলে কথা বলার সময় পেছন থেকে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি তার ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায়ও জিডি করা হয়।

এরপর ৩১ আগস্ট কুন্দল এলাকায় রিকশায় থাকা আশরাফ উদ্দিনের মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে। মোটরসাইকেল আরোহীরা ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পরপর এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শুধু মোবাইল নয়, যানবাহনও হয়ে উঠছে ছিনতাইকারীদের লক্ষ্য। গত ২৭ আগস্ট সৈয়দপুর-পার্বতীপুর সড়কে রেজওয়ান নামে এক চালকের ভ্যান ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে। যাত্রী সেজে কয়েকজন তার ভ্যানে ওঠে। পরে তাকে পান কিনে আনার কথা বলে নামিয়ে দিয়ে ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

এরপর আসে আরও ভিন্ন ধরনের অভিযোগ। গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে অটোরিকশাচালক শহীদুল ইসলামকে (৫০) খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ানোর অভিযোগ ওঠে। পরে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তার অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায় একটি চক্র বলে অভিযোগ। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে শহরের চৌধুরী টাওয়ারের সামনে থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ধলাগাছ আদানীপাড়া এলাকায় হাজিজুল ইসলামের বাসার সামনে থেকেও মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, মোটরসাইকেলটি রাখার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেটি চুরি হয়ে যায়। একই মাসে একটি খেলার মাঠ থেকে ফাহিমের মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের তথ্যও পাওয়া গেছে।

এসব ঘটনার বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা আগের তুলনায় বেড়েছে। স্কুল শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম সবুজ বলেন, এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে। অপরাধ ঠেকাতে পুলিশের নজরদারি ও টহল আরও বাড়ানো প্রয়োজন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও বলছেন, শুধু ঘটনার পর তদন্ত নয়, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও বাজারগুলোতে আগে থেকেই নজরদারি বাড়ানো দরকার।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, পুলিশি টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

সৈয়দপুর দেশের উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও যোগাযোগকেন্দ্র। রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও বিমানবন্দরকে ঘিরে প্রতিদিনই ব্যস্ত থাকে শহরটি। এমন একটি শহরে সাম্প্রতিক সময়ে চুরি-ছিনতাইয়ের নানা কৌশলের অভিযোগ সামনে আসায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

তবে এসব ঘটনা পুরো শহরের অপরাধ পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান নয়। কিন্তু একের পর এক অভিযোগে যে বিষয়টি সামনে এসেছে, তা হলো চুরি-ছিনতাইয়ের ধরন বদলাচ্ছে। কোথাও মোবাইল, কোথাও মোটরসাইকেল, কোথাও ভ্যান বা অটোরিকশা; আবার কোথাও চেতনানাশক ব্যবহারের অভিযোগ।

এখন দেখার বিষয়, এসব ঘটনায় করা জিডি ও অভিযোগের কতগুলোতে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার হয় এবং কতগুলো ঘটনায় জড়িতরা আইনের আওতায় আসে। পাশাপাশি, ঘটনার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আগেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে নিরাপত্তা জোরদার করা যায় কি না সেদিকেও নজর দিচ্ছেন শহরবাসী।


 দৈনিক আলাপন

সম্পাদক ও প্রকাশক: আমিনুল হক
নির্বাহী সম্পাদক: কাজী জাহিদ
ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ নুরুন্নবী।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সৈয়দপুরে চুরি-ছিনতাইয়ের দাপট, বদলেছে কৌশল
0:00 / 0:00
1x