রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে ইউনিয়ন জুরে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আবু সালেকের। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু সালেকের মৃত্যুর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে কুর্শা ইউনিয়নসহ আশেপাশের ইউনিয়নের মানুষের মাঝেও দেখা যায় শোকের ছায়া। তিনি কুর্শা ইউনিয়নের প্রয়াত চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান মন্টুর পুত্র।
জানা যায় , তারাগঞ্জ পুরাতন চৌপথীর অদূরে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের ধার ঘেঁষে মেসার্স আল মদিনা ট্রেডার্সের আঙ্গীনায় নিজস্ব মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলেন আবু সালেক। এসময় বাইরে থেকে মালামাল নিয়ে আসা আল মদিনা গ্রুপের মালিকের একটি ট্রাকের চাপায় গুরুতর আহত হন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। স্বজনরা তার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক রংপুর সেনাবাহিনী পরিচালিত সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে দ্রুত সময়ে তার অস্ত্রোপচার করে ক্ষতবিক্ষত একটি পা কেটে ফেলা হয়।
কয়েকদিন সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর অবস্থার অবনতি হলে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়। দূর্ঘটনার পর ১১ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় আবু সালেকের।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তারাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে ইউনিয়ন জুরে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আবু সালেকের। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু সালেকের মৃত্যুর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে কুর্শা ইউনিয়নসহ আশেপাশের ইউনিয়নের মানুষের মাঝেও দেখা যায় শোকের ছায়া। তিনি কুর্শা ইউনিয়নের প্রয়াত চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান মন্টুর পুত্র।
জানা যায় , তারাগঞ্জ পুরাতন চৌপথীর অদূরে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের ধার ঘেঁষে মেসার্স আল মদিনা ট্রেডার্সের আঙ্গীনায় নিজস্ব মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলেন আবু সালেক। এসময় বাইরে থেকে মালামাল নিয়ে আসা আল মদিনা গ্রুপের মালিকের একটি ট্রাকের চাপায় গুরুতর আহত হন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। স্বজনরা তার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক রংপুর সেনাবাহিনী পরিচালিত সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে দ্রুত সময়ে তার অস্ত্রোপচার করে ক্ষতবিক্ষত একটি পা কেটে ফেলা হয়।
কয়েকদিন সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর অবস্থার অবনতি হলে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়। দূর্ঘটনার পর ১১ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় আবু সালেকের।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তারাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন