কুড়িগ্রামে দীঘদিন পর ভারি বৃষ্টি হয়েছে। ফলে কৃষকদের মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তি। গত ২৪ ঘন্টায় রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পযবেক্ষণাগার ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকড করেছে। এদিকে বৃষ্টির পাশাপাশি বাড়ছে নদ নদীর পানিও। তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র-প্রধান এই চারটি নদ-নদীর পানি ধীরগতিতে বাড়ছে। সবক’টি নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নীচে থাকলেও তিস্তার পানি বিপৎসীমার মাত্র ৩৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি বাড়ার ফলে রাজারহাট উপজেলার তিস্তার চর গতিয়াশাম, চর খিতাবখাসহ কয়েকটি চরের আমন ক্ষেত নিমজ্জিত হয়েছে। পানি আরো বাড়লে ফসলের ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এদিকে নদ-নদীর পানি বাড়ায় প্রধান নদ-নদীর কয়েকটি পয়েন্টে ভাঙন আতংক দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সদর, উলিপুর, ভুরুঙ্গামারী ও চিলমারীর কয়েকটি চরে ভাঙন বেড়েছে। ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে নদীগভে। পানি উন্নয়ন বোডেও নিবাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, জেলার ২০টি পয়েন্টে কম বেশি ভাঙন রয়েছে। তবে ৩-৪টি পয়েন্টকে অধিক ঝুঁকিপূণ মনে করে তারা প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়েছেন।
অপরদিকে অল্প সময়ে অধিক বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম শহরের কোন কোন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। সকালে জেলা প্রশাসকের কাযালয় চত্বর, জেলা জজ আদালত, পুলিশ সুপার কাযালয় ও জুডিশিয়াল ম্যােিজস্ট্রেট আদালতগামী সড়ক নিমজ্জিত দেখা যায়। এসব এলাকায় হাঁটু পানি ভেঙে অনেককে যানবাহন ও পায়ে হেঁটে চলাচল করতে দেখা যায়। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
তবে বৃষ্টির কারণে আমন ফসলের ফলন বাড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ। কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ পরিচালক (শষ্য) মেহেদী হাসান জানান, কৃষকের বহুল প্রত্যাশিত এই বৃষ্টির ফলে আমনের জমিতে সার অধিক কাযকর হবে এবং ফলন অনেক ভালো হবে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুড়িগ্রামে দীঘদিন পর ভারি বৃষ্টি হয়েছে। ফলে কৃষকদের মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তি। গত ২৪ ঘন্টায় রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পযবেক্ষণাগার ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকড করেছে। এদিকে বৃষ্টির পাশাপাশি বাড়ছে নদ নদীর পানিও। তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র-প্রধান এই চারটি নদ-নদীর পানি ধীরগতিতে বাড়ছে। সবক’টি নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নীচে থাকলেও তিস্তার পানি বিপৎসীমার মাত্র ৩৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি বাড়ার ফলে রাজারহাট উপজেলার তিস্তার চর গতিয়াশাম, চর খিতাবখাসহ কয়েকটি চরের আমন ক্ষেত নিমজ্জিত হয়েছে। পানি আরো বাড়লে ফসলের ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এদিকে নদ-নদীর পানি বাড়ায় প্রধান নদ-নদীর কয়েকটি পয়েন্টে ভাঙন আতংক দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সদর, উলিপুর, ভুরুঙ্গামারী ও চিলমারীর কয়েকটি চরে ভাঙন বেড়েছে। ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে নদীগভে। পানি উন্নয়ন বোডেও নিবাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, জেলার ২০টি পয়েন্টে কম বেশি ভাঙন রয়েছে। তবে ৩-৪টি পয়েন্টকে অধিক ঝুঁকিপূণ মনে করে তারা প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়েছেন।
অপরদিকে অল্প সময়ে অধিক বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম শহরের কোন কোন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। সকালে জেলা প্রশাসকের কাযালয় চত্বর, জেলা জজ আদালত, পুলিশ সুপার কাযালয় ও জুডিশিয়াল ম্যােিজস্ট্রেট আদালতগামী সড়ক নিমজ্জিত দেখা যায়। এসব এলাকায় হাঁটু পানি ভেঙে অনেককে যানবাহন ও পায়ে হেঁটে চলাচল করতে দেখা যায়। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
তবে বৃষ্টির কারণে আমন ফসলের ফলন বাড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ। কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ পরিচালক (শষ্য) মেহেদী হাসান জানান, কৃষকের বহুল প্রত্যাশিত এই বৃষ্টির ফলে আমনের জমিতে সার অধিক কাযকর হবে এবং ফলন অনেক ভালো হবে।

আপনার মতামত লিখুন