অপরাধ দমন ও জনসেবা নিশ্চিতকরণে সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে রংপুর বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সরকারি সম্পদ সুরক্ষা থেকে শুরু করে চাঁদাবাজি, অবৈধ দখল, বালু উত্তোলন, বিদ্যুৎ চুরি, সার পাচার ও কৃষক হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিভাগীয় সদর দপ্তরের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম।
সভায় বক্তব্য দেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ মাহবুবুর রশীদসহ বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসক ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সভায় সরকারি দপ্তরগুলোর পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার, জনসেবা নিশ্চিতকরণ, সরকারি সম্পদ সুরক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং আইনানুগ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় সরকারি স্থাপনা ও জমি দখল, চুরি-ভাঙচুর, মহাসড়ক ও সড়কের জায়গা অবৈধ দখল, চাঁদাবাজি ও সড়ক অবরোধ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় শৃঙ্খলা রক্ষা, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় নাশকতা ও বিদ্যুৎ চুরি এবং অবৈধ সংযোগ প্রতিরোধের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধ, সরকারি ওষুধ চুরি প্রতিরোধ, কৃষক হয়রানি বন্ধ, সার পাচার ও ভেজাল কৃষি উপকরণ বিক্রয় প্রতিরোধ, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ মাছ আহরণ এবং নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উত্তরের আট জেলার কৃষি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রসার, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অপরাধ দমন ও জনসেবা নিশ্চিতকরণে সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে রংপুর বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সরকারি সম্পদ সুরক্ষা থেকে শুরু করে চাঁদাবাজি, অবৈধ দখল, বালু উত্তোলন, বিদ্যুৎ চুরি, সার পাচার ও কৃষক হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিভাগীয় সদর দপ্তরের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম।
সভায় বক্তব্য দেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ মাহবুবুর রশীদসহ বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসক ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সভায় সরকারি দপ্তরগুলোর পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার, জনসেবা নিশ্চিতকরণ, সরকারি সম্পদ সুরক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং আইনানুগ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় সরকারি স্থাপনা ও জমি দখল, চুরি-ভাঙচুর, মহাসড়ক ও সড়কের জায়গা অবৈধ দখল, চাঁদাবাজি ও সড়ক অবরোধ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় শৃঙ্খলা রক্ষা, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় নাশকতা ও বিদ্যুৎ চুরি এবং অবৈধ সংযোগ প্রতিরোধের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধ, সরকারি ওষুধ চুরি প্রতিরোধ, কৃষক হয়রানি বন্ধ, সার পাচার ও ভেজাল কৃষি উপকরণ বিক্রয় প্রতিরোধ, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ মাছ আহরণ এবং নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উত্তরের আট জেলার কৃষি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রসার, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।

আপনার মতামত লিখুন