রংপুরের গঙ্গাচড়ায় জরুরি ত্রাণ সহায়তার জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি শুকনো খাবার পাচারের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরকারি অফিস ছুটির পর উপজেলা অফিসার্স কল্যাণ ক্লাবের স্টোররুম থেকে মাইক্রোবাসে করে সরকারি শুকনো খাবারের বস্তা নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সরকারি অফিস বন্ধ হওয়ার পর পিআইও মো. মাইদুল ইসলামের উদ্যোগে তাঁর আত্মীয়স্বজনকে ডেকে উপজেলা অফিসার্স কল্যাণ ক্লাবের স্টোররুম থেকে জরুরি ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দকৃত শুকনো খাবারের বস্তা মাইক্রোবাসে করে সরিয়ে নেওয়া হয়।
সরকারি এসব শুকনো খাবারের প্রতিটি বস্তায় রয়েছে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি দেশি মসুর ডাল, ১ কেজি আয়োডিনযুক্ত লবণ, ১ কেজি চিনি, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১০০ গ্রাম মরিচের গুঁড়া, ২০০ গ্রাম হলুদ ও ১০০ গ্রাম ধনিয়া গুঁড়া। সব মিলিয়ে একটি বস্তার মোট ওজন ১৪ দশমিক ৩৫ কেজি। যে ব্যক্তির মাধ্যমে সরকারি শুকনো খাবারের বস্তাগুলো নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাঁর নাম সরকারি শুকনো খাবার বিতরণ রেজিস্টারে রয়েছে কি না তা জানতে চাওয়া হলেও পিআইও মো. মাইদুল ইসলাম কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে পিআইও মো. মাইদুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমি কিছু বলবো না। ইউএনওকে জিজ্ঞেস করেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, ইউএনও কি সরকারি শুকনো খাবার কালোবাজারে বিক্রি করতে বলেছেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। পিআইও কার্যালয়ে জরুরি ত্রাণ সহায়তার জন্য বরাদ্দকৃত ২৭৫ বস্তা শুকনো খাবারের বরাদ্দ ও বিতরণসংক্রান্ত নথি দেখতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে বিতরণের মাস্টাররোলসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলেও সংশ্লিষ্টরা তা দেখাতে পারেননি। ফলে ২৭৫ বস্তা শুকনো খাবারের কতটুকু বিতরণ হয়েছে, কারা পেয়েছেন এবং অবশিষ্ট খাবারের হিসাব কী তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, যার দপ্তর, তার কাছে জিজ্ঞেস করেন। যদি অভিযোগ সত্য হয়, বিষয়টি জেলা কর্মকর্তা তার বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে। জেলা কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া বলেন, যেহেতু স্থানীয় প্রশাসন ইউএনও। তিনি বিষয়টি দেখবেন।
একই বিষয়ে জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি দেখতেছি।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় জরুরি ত্রাণ সহায়তার জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি শুকনো খাবার পাচারের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরকারি অফিস ছুটির পর উপজেলা অফিসার্স কল্যাণ ক্লাবের স্টোররুম থেকে মাইক্রোবাসে করে সরকারি শুকনো খাবারের বস্তা নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সরকারি অফিস বন্ধ হওয়ার পর পিআইও মো. মাইদুল ইসলামের উদ্যোগে তাঁর আত্মীয়স্বজনকে ডেকে উপজেলা অফিসার্স কল্যাণ ক্লাবের স্টোররুম থেকে জরুরি ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দকৃত শুকনো খাবারের বস্তা মাইক্রোবাসে করে সরিয়ে নেওয়া হয়।
সরকারি এসব শুকনো খাবারের প্রতিটি বস্তায় রয়েছে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি দেশি মসুর ডাল, ১ কেজি আয়োডিনযুক্ত লবণ, ১ কেজি চিনি, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১০০ গ্রাম মরিচের গুঁড়া, ২০০ গ্রাম হলুদ ও ১০০ গ্রাম ধনিয়া গুঁড়া। সব মিলিয়ে একটি বস্তার মোট ওজন ১৪ দশমিক ৩৫ কেজি। যে ব্যক্তির মাধ্যমে সরকারি শুকনো খাবারের বস্তাগুলো নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাঁর নাম সরকারি শুকনো খাবার বিতরণ রেজিস্টারে রয়েছে কি না তা জানতে চাওয়া হলেও পিআইও মো. মাইদুল ইসলাম কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে পিআইও মো. মাইদুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমি কিছু বলবো না। ইউএনওকে জিজ্ঞেস করেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, ইউএনও কি সরকারি শুকনো খাবার কালোবাজারে বিক্রি করতে বলেছেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। পিআইও কার্যালয়ে জরুরি ত্রাণ সহায়তার জন্য বরাদ্দকৃত ২৭৫ বস্তা শুকনো খাবারের বরাদ্দ ও বিতরণসংক্রান্ত নথি দেখতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে বিতরণের মাস্টাররোলসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলেও সংশ্লিষ্টরা তা দেখাতে পারেননি। ফলে ২৭৫ বস্তা শুকনো খাবারের কতটুকু বিতরণ হয়েছে, কারা পেয়েছেন এবং অবশিষ্ট খাবারের হিসাব কী তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, যার দপ্তর, তার কাছে জিজ্ঞেস করেন। যদি অভিযোগ সত্য হয়, বিষয়টি জেলা কর্মকর্তা তার বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে। জেলা কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া বলেন, যেহেতু স্থানীয় প্রশাসন ইউএনও। তিনি বিষয়টি দেখবেন।
একই বিষয়ে জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি দেখতেছি।

আপনার মতামত লিখুন