রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নে তিস্তার ডান তীরে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চিলাখাল স্কুল পর্যন্ত নদীতীরের বিভিন্ন অংশে ভাঙন দেখা দেওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, নোহালী ইউনিয়নের মিনার বাজার চর এলাকায় নদীর বামতীরে বাঁধ নির্মাণের পর কোলকোন্দের ডান তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে।
ভাঙনের খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার। তিনি নদীতীরের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শোনেন।
স্থানীয়রা জানান, তিস্তার বুকে জেগে ওঠা চর ভাঙা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের অংশ। কিন্তু মানুষের বসতি থাকা মূল ভূখণ্ডের তীর ভাঙলে এর প্রভাব পড়ে বসতভিটা, আবাদি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনায়।
এক স্থানীয় মজনু শাহ বাসিন্দা বলেন, চর ভাঙবে, এটা নদীর স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু এক পাড়ে বাঁধ দেওয়ার পর অন্য পাড়ে ভাঙন দেখা দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার। আমরা চাই, নদীর স্রোত ও বাঁধের প্রভাব পরীক্ষা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
আরেক বাসিন্দা খোকা মিয়া বলেন, আমাদের বাড়িঘর ও জমি রক্ষা করাই এখন প্রধান দাবি। ভাঙন যেখানে শুরু হয়েছে সেখানে দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি মিনার বাজারের বাঁধের কারণে এদিকে কোনো প্রভাব পড়ছে কি না, সেটাও সংশ্লিষ্টদের দেখতে হবে। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী জিওব্যাগ ফেলা, নদীতীর সংরক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে চরাঞ্চলে নদী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়ার আগে এর প্রভাব বিপরীত তীরে পড়ছে কি না, তা কারিগরি সমীক্ষার মাধ্যমে যাচাইয়ের দাবি জানান তারা।
রাতে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে ইউএনও জেসমিন আক্তার বলেন, তিস্তার ভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে রাতে ঘটনাস্থলে এসেছি। স্থানীয় মানুষের কথা শুনেছি এবং তাদের সমস্যাগুলো দেখেছি। ভাঙনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে পর্যালোচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। নদীপাড়ের মানুষের জানমাল ও বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের দাবি, এক পাড়ের চরাঞ্চল রক্ষায় নেওয়া ব্যবস্থা যেন অন্য পাড়ের মূল ভূখণ্ডের মানুষের জন্য নতুন সংকট তৈরি না করে। কোলকোন্দের ভাঙনকবলিত এলাকায় দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নে তিস্তার ডান তীরে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চিলাখাল স্কুল পর্যন্ত নদীতীরের বিভিন্ন অংশে ভাঙন দেখা দেওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, নোহালী ইউনিয়নের মিনার বাজার চর এলাকায় নদীর বামতীরে বাঁধ নির্মাণের পর কোলকোন্দের ডান তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে।
ভাঙনের খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার। তিনি নদীতীরের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শোনেন।
স্থানীয়রা জানান, তিস্তার বুকে জেগে ওঠা চর ভাঙা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের অংশ। কিন্তু মানুষের বসতি থাকা মূল ভূখণ্ডের তীর ভাঙলে এর প্রভাব পড়ে বসতভিটা, আবাদি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনায়।
এক স্থানীয় মজনু শাহ বাসিন্দা বলেন, চর ভাঙবে, এটা নদীর স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু এক পাড়ে বাঁধ দেওয়ার পর অন্য পাড়ে ভাঙন দেখা দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার। আমরা চাই, নদীর স্রোত ও বাঁধের প্রভাব পরীক্ষা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
আরেক বাসিন্দা খোকা মিয়া বলেন, আমাদের বাড়িঘর ও জমি রক্ষা করাই এখন প্রধান দাবি। ভাঙন যেখানে শুরু হয়েছে সেখানে দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি মিনার বাজারের বাঁধের কারণে এদিকে কোনো প্রভাব পড়ছে কি না, সেটাও সংশ্লিষ্টদের দেখতে হবে। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী জিওব্যাগ ফেলা, নদীতীর সংরক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে চরাঞ্চলে নদী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়ার আগে এর প্রভাব বিপরীত তীরে পড়ছে কি না, তা কারিগরি সমীক্ষার মাধ্যমে যাচাইয়ের দাবি জানান তারা।
রাতে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে ইউএনও জেসমিন আক্তার বলেন, তিস্তার ভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে রাতে ঘটনাস্থলে এসেছি। স্থানীয় মানুষের কথা শুনেছি এবং তাদের সমস্যাগুলো দেখেছি। ভাঙনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে পর্যালোচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। নদীপাড়ের মানুষের জানমাল ও বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের দাবি, এক পাড়ের চরাঞ্চল রক্ষায় নেওয়া ব্যবস্থা যেন অন্য পাড়ের মূল ভূখণ্ডের মানুষের জন্য নতুন সংকট তৈরি না করে। কোলকোন্দের ভাঙনকবলিত এলাকায় দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন