জনগণের আস্থা অর্জনে পুলিশ সদস্যদের ধৈর্য, সহনশীলতা, সৌজন্যবোধ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি) কমিশনার মাহবুবুর রশীদ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রংপুর পুলিশ লাইন্স মাঠে সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড পরিদর্শন শেষে তিনি এ আহ্বান জানান।
আরপিএমপি কমিশনার বলেন, জনগণের সঙ্গে আচরণ, সেবার মান এবং পেশাগত দায়িত্ববোধই পুলিশের প্রতি জনআস্থা গড়ে তোলার মূলভিত্তি। ধৈর্য, সহনশীলতা, সৌজন্যবোধ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জনই একজন পুলিশ সদস্যের সর্বোচ্চ সাফল্য। এ লক্ষ্য অর্জনে প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে নিজেদের দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও সেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
পেশাগত মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা, শারীরিক সক্ষমতা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাহিনীর সার্বিক প্রস্তুতি সুদৃঢ় করার গুরুত্ব তুলে ধরে নবাগত পুলিশ কমিশনার বলেন, নিয়মিত পিটি ও প্যারেড শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তা, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও পেশাগত শৃঙ্খলা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো পুলিশ সদস্য যেন মাদক, অনলাইন জুয়া কিংবা অন্য কোনো অসামাজিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত না হন।
মাহবুবুর রশীদ বলেন, মাদক ও অনলাইন জুয়া ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই এসব অপকর্ম থেকে সম্পূর্ণ বিরত থেকে নৈতিকতা, সততা ও পেশাগত মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এর আগে মাস্টার প্যারেড পরিদর্শনকালে পুলিশ সদস্যদের অভিবাদন গ্রহণ করেন আরপিএমপি কমিশনার মাহবুবুর রশীদ। প্যারেডে বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যরা সুশৃঙ্খলভাবে অংশগ্রহণ করেন। সহকারী পুলিশ কমিশনার জোবায়ের প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
এ সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ভালো টার্নআউটের স্বীকৃতিস্বরূপ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়।
পরে তিনি সারিবদ্ধভাবে রাখা আরপিএমপির যানবাহনগুলো পরিদর্শন করেন এবং সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও কার্যক্ষমতার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
মাস্টার প্যারেডে আরপিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তোফায়েল আহমেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে ডিসি (সিটিএসবি) সনাতন চক্রবর্তী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মারুফ আহমেদসহ বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জনগণের আস্থা অর্জনে পুলিশ সদস্যদের ধৈর্য, সহনশীলতা, সৌজন্যবোধ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি) কমিশনার মাহবুবুর রশীদ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রংপুর পুলিশ লাইন্স মাঠে সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড পরিদর্শন শেষে তিনি এ আহ্বান জানান।
আরপিএমপি কমিশনার বলেন, জনগণের সঙ্গে আচরণ, সেবার মান এবং পেশাগত দায়িত্ববোধই পুলিশের প্রতি জনআস্থা গড়ে তোলার মূলভিত্তি। ধৈর্য, সহনশীলতা, সৌজন্যবোধ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জনই একজন পুলিশ সদস্যের সর্বোচ্চ সাফল্য। এ লক্ষ্য অর্জনে প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে নিজেদের দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও সেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
পেশাগত মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা, শারীরিক সক্ষমতা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাহিনীর সার্বিক প্রস্তুতি সুদৃঢ় করার গুরুত্ব তুলে ধরে নবাগত পুলিশ কমিশনার বলেন, নিয়মিত পিটি ও প্যারেড শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তা, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও পেশাগত শৃঙ্খলা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো পুলিশ সদস্য যেন মাদক, অনলাইন জুয়া কিংবা অন্য কোনো অসামাজিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত না হন।
মাহবুবুর রশীদ বলেন, মাদক ও অনলাইন জুয়া ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই এসব অপকর্ম থেকে সম্পূর্ণ বিরত থেকে নৈতিকতা, সততা ও পেশাগত মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এর আগে মাস্টার প্যারেড পরিদর্শনকালে পুলিশ সদস্যদের অভিবাদন গ্রহণ করেন আরপিএমপি কমিশনার মাহবুবুর রশীদ। প্যারেডে বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যরা সুশৃঙ্খলভাবে অংশগ্রহণ করেন। সহকারী পুলিশ কমিশনার জোবায়ের প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
এ সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ভালো টার্নআউটের স্বীকৃতিস্বরূপ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়।
পরে তিনি সারিবদ্ধভাবে রাখা আরপিএমপির যানবাহনগুলো পরিদর্শন করেন এবং সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও কার্যক্ষমতার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
মাস্টার প্যারেডে আরপিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তোফায়েল আহমেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে ডিসি (সিটিএসবি) সনাতন চক্রবর্তী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মারুফ আহমেদসহ বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন