নীলফামারীতে ঘুমন্ত অবস্থায় বিষধর সাপের দংশনে মোন্নাফ শাহ রহমান মানিক (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের বগিলা গাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোন্নাফ শাহ রহমান মানিক ওই এলাকার মশিউর রহমানের ছেলে। সে নীলফামারী ক্যাডেট অ্যাকাডেমির সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যায় মোন্নাফ। শুক্রবার সকালে তার কক্ষ থেকে অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান পরিবারের সদস্যরা। বেশ কয়েকবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তারা।
এ সময় বিছানায় ছটফট করতে দেখা যায় মোন্নাফকে। তার মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল। দ্রুত তাকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে রংপুরে নেওয়ার পথেই মোন্নাফের মৃত্যু হয়।
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ধারণা, রাতে ঘুমের মধ্যেই কোনো বিষধর সাপ তাকে দংশন করে। একা ঘুমিয়ে থাকায় বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কেউ বুঝতে পারেননি। সকালে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
মোন্নাফের শিক্ষক সুমন রায় বলেন, মোন্নাফ পড়াশোনায় খুব ভালো ছিল। তার এমন অকাল মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন। তার মৃত্যুতে শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে।
পঞ্চপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াহেদুল ইসলাম সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কিশোরটি রাতে একা ঘুমিয়েছিল। সকালে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলেও রংপুরে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীতে ঘুমন্ত অবস্থায় বিষধর সাপের দংশনে মোন্নাফ শাহ রহমান মানিক (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের বগিলা গাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোন্নাফ শাহ রহমান মানিক ওই এলাকার মশিউর রহমানের ছেলে। সে নীলফামারী ক্যাডেট অ্যাকাডেমির সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যায় মোন্নাফ। শুক্রবার সকালে তার কক্ষ থেকে অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান পরিবারের সদস্যরা। বেশ কয়েকবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তারা।
এ সময় বিছানায় ছটফট করতে দেখা যায় মোন্নাফকে। তার মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল। দ্রুত তাকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে রংপুরে নেওয়ার পথেই মোন্নাফের মৃত্যু হয়।
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ধারণা, রাতে ঘুমের মধ্যেই কোনো বিষধর সাপ তাকে দংশন করে। একা ঘুমিয়ে থাকায় বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কেউ বুঝতে পারেননি। সকালে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
মোন্নাফের শিক্ষক সুমন রায় বলেন, মোন্নাফ পড়াশোনায় খুব ভালো ছিল। তার এমন অকাল মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন। তার মৃত্যুতে শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে।
পঞ্চপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াহেদুল ইসলাম সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কিশোরটি রাতে একা ঘুমিয়েছিল। সকালে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলেও রংপুরে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

আপনার মতামত লিখুন