দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার অঙ্গীকার করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও সফরে এসে রোববার বিকেলে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় দেওয়া বক্তব্যে এ অঙ্গীকার করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, তাঁর জীবনের বিনিময়ে হলেও দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার চেষ্টা করবেন তিনি। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি হানাহানি ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার রাজনীতিতে আসার আহŸান জানান তিনি।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অতীতে অনেক অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছে। তবে এখন আর মারামারি, খুনোখুনি দেখতে চান না তিনি। দেশের রাজনীতিতে শান্তি ও সমঝোতার পরিবেশ দেখতে চান রাষ্ট্রপতি। তরুণদের উদ্দেশে মাদক ও নানা অপরাধ থেকে দূরে থাকার আহŸান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, খেলাধুলা ও সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোরও আহŸান জানান তিনি।
ঠাকুরগাঁওয়ের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি। নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্যও জেলার মানুষের প্রতি আহŸান জানান তিনি। নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আবেগাপ্লæত রাষ্ট্রপতি বলেন, এই মাটির সঙ্গে তাঁর জীবনের সবকিছু জড়িয়ে আছে। ঠাকুরগাঁওবাসীর ভালোবাসার ঋণ কোনোদিন শোধ করতে পারবেন না বলেও জানান তিনি।
এর আগে গতকাল রোববার দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন তিনি। সেখান থেকে সেনুয়া পারিবারিক গোরস্থানে গিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন রাষ্ট্রপতি।
পরে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নিয়ে ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে পুরো ঠাকুরগাঁওজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। নিজ জেলার মানুষের ভালোবাসায় আবেগাপ্লæত হয়ে রাষ্ট্রপতি বলেনÑ“মোর নাম এই নামে হোক, আমি তোমাদেরই লোক।
এ সময় না করে সংবর্ধনা কমিটির আহŸায়ক ডা. আবু খাইরুল কবির এর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, দুর্যোগ ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, হুইপ আখতারুজ্জামান, ঠাকুরগাঁও ২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও ৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমীন সহ, জেলা জামাতের নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, সংবর্ধনা কমিটির সদস্য সচিব ও ইএসডিও'র প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ শহীদ উজ জামান।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার অঙ্গীকার করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও সফরে এসে রোববার বিকেলে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় দেওয়া বক্তব্যে এ অঙ্গীকার করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, তাঁর জীবনের বিনিময়ে হলেও দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার চেষ্টা করবেন তিনি। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি হানাহানি ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার রাজনীতিতে আসার আহŸান জানান তিনি।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অতীতে অনেক অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছে। তবে এখন আর মারামারি, খুনোখুনি দেখতে চান না তিনি। দেশের রাজনীতিতে শান্তি ও সমঝোতার পরিবেশ দেখতে চান রাষ্ট্রপতি। তরুণদের উদ্দেশে মাদক ও নানা অপরাধ থেকে দূরে থাকার আহŸান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, খেলাধুলা ও সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোরও আহŸান জানান তিনি।
ঠাকুরগাঁওয়ের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি। নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্যও জেলার মানুষের প্রতি আহŸান জানান তিনি। নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আবেগাপ্লæত রাষ্ট্রপতি বলেন, এই মাটির সঙ্গে তাঁর জীবনের সবকিছু জড়িয়ে আছে। ঠাকুরগাঁওবাসীর ভালোবাসার ঋণ কোনোদিন শোধ করতে পারবেন না বলেও জানান তিনি।
এর আগে গতকাল রোববার দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন তিনি। সেখান থেকে সেনুয়া পারিবারিক গোরস্থানে গিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন রাষ্ট্রপতি।
পরে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নিয়ে ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে পুরো ঠাকুরগাঁওজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। নিজ জেলার মানুষের ভালোবাসায় আবেগাপ্লæত হয়ে রাষ্ট্রপতি বলেনÑ“মোর নাম এই নামে হোক, আমি তোমাদেরই লোক।
এ সময় না করে সংবর্ধনা কমিটির আহŸায়ক ডা. আবু খাইরুল কবির এর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, দুর্যোগ ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, হুইপ আখতারুজ্জামান, ঠাকুরগাঁও ২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও ৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমীন সহ, জেলা জামাতের নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, সংবর্ধনা কমিটির সদস্য সচিব ও ইএসডিও'র প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ শহীদ উজ জামান।

আপনার মতামত লিখুন