মাদক সেবনের অভিযোগে পার্বতীপুরে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ৪জন ট্যাংকলরী শ্রমিকের মুক্তির দাবী ও এক শ্রমিক নেতাকে লাঞ্চিত করার প্রতিবাদে রেল হেড অয়েল ডিপোতে প্রায় ৮ ঘন্টার অবরোধ কর্মসূচী পালিত হয়েছে। মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত সোমবার রাতে ট্যাংকলরী
শ্রমিক আসাদুজ্জামান সাগর, আইয়ুব আলী, হাসান আলী ও রবিউল ইসলামে গ্রেফতার থানায় নিয়ে গেলে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের রংপুর বিভাগীয় কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে
আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জ্বালানী তেল সরবরাহে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়। এ সময়ে পার্বতীপুর রেল হেড অয়েল ডিপোর প্রধান গেট বন্ধ করে দেয় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা। এ ঘটনায় উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলা থেকে তেল নিতে আসা কোন ট্যাংক লরীর ড্রাইভারগন ওয়েল হেড ডিপোতে প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে ৮ ঘন্টা সব ধরনের জ্বালানী তেল সরবরাহ বন্ধ ছিল। পুলিশ সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার রাতে দড়ি খামার গ্রাম থেকে এই ৪জনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশের ৫ সদস্যের আভিযানিক টিম। এরা সকলেই ট্যাংক লরী শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য। পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি আব্দুল ওয়াদুদ ও ট্যাংক লরী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমানের ভাষ্য, উভয় পক্ষের মধ্যে ভূল বুঝাবুঝির কারনে সংগঠনের সভাপতি আতাউর রহমান আতু লাঞ্চনার শিকার হন বলে দাবী করেন।
এ ঘটনায় শ্রমিকদের মাঝে উত্তেজনা বৃদ্ধি হলে শ্রমিক নেতার লাঞ্চনাকারী পুলিশ কনস্টবল জয়ন্ত কুমারকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে স্থানীয় সাংসদ এজেডএম রেজওয়ানুল হক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ ও পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি আব্দুল ওয়াদুদের মধ্যস্থতায় পার্বতীপুর বাস টারমিনাল এলাকায় ট্যাংক লরী শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে সমঝোতা বৈঠকে বসেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের দাবী অনুযায়ী আরও ৪ পুলিশ সদস্যকে
প্রত্যাহারের আশ্বাস দেওয়া হলে দুপুর প্রায় ২টায় অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় সংগঠনটি। তবে তারা জানান, অভিযুক্ত ৫ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার, মঙ্গলবারের মধ্যে গ্রেফতার ৪ শ্রমিককে ছেড়ে দেওয়া না হলে গতকাল বুধববার থেকে আবারো অবরোধ কর্মসূচীর ঘোষণা দেন শ্রমিকরা।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
মাদক সেবনের অভিযোগে পার্বতীপুরে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ৪জন ট্যাংকলরী শ্রমিকের মুক্তির দাবী ও এক শ্রমিক নেতাকে লাঞ্চিত করার প্রতিবাদে রেল হেড অয়েল ডিপোতে প্রায় ৮ ঘন্টার অবরোধ কর্মসূচী পালিত হয়েছে। মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত সোমবার রাতে ট্যাংকলরী
শ্রমিক আসাদুজ্জামান সাগর, আইয়ুব আলী, হাসান আলী ও রবিউল ইসলামে গ্রেফতার থানায় নিয়ে গেলে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের রংপুর বিভাগীয় কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে
আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জ্বালানী তেল সরবরাহে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়। এ সময়ে পার্বতীপুর রেল হেড অয়েল ডিপোর প্রধান গেট বন্ধ করে দেয় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা। এ ঘটনায় উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলা থেকে তেল নিতে আসা কোন ট্যাংক লরীর ড্রাইভারগন ওয়েল হেড ডিপোতে প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে ৮ ঘন্টা সব ধরনের জ্বালানী তেল সরবরাহ বন্ধ ছিল। পুলিশ সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার রাতে দড়ি খামার গ্রাম থেকে এই ৪জনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশের ৫ সদস্যের আভিযানিক টিম। এরা সকলেই ট্যাংক লরী শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য। পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি আব্দুল ওয়াদুদ ও ট্যাংক লরী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমানের ভাষ্য, উভয় পক্ষের মধ্যে ভূল বুঝাবুঝির কারনে সংগঠনের সভাপতি আতাউর রহমান আতু লাঞ্চনার শিকার হন বলে দাবী করেন।
এ ঘটনায় শ্রমিকদের মাঝে উত্তেজনা বৃদ্ধি হলে শ্রমিক নেতার লাঞ্চনাকারী পুলিশ কনস্টবল জয়ন্ত কুমারকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে স্থানীয় সাংসদ এজেডএম রেজওয়ানুল হক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ ও পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি আব্দুল ওয়াদুদের মধ্যস্থতায় পার্বতীপুর বাস টারমিনাল এলাকায় ট্যাংক লরী শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে সমঝোতা বৈঠকে বসেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের দাবী অনুযায়ী আরও ৪ পুলিশ সদস্যকে
প্রত্যাহারের আশ্বাস দেওয়া হলে দুপুর প্রায় ২টায় অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় সংগঠনটি। তবে তারা জানান, অভিযুক্ত ৫ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার, মঙ্গলবারের মধ্যে গ্রেফতার ৪ শ্রমিককে ছেড়ে দেওয়া না হলে গতকাল বুধববার থেকে আবারো অবরোধ কর্মসূচীর ঘোষণা দেন শ্রমিকরা।

আপনার মতামত লিখুন