স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে বাবলী ও তার স্বামী রাজু একই কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। ১ অক্টোবর সকাল গড়িয়ে আনুমানিক ১১টা হলেও বাবলী ঘুম থেকে না ওঠায় তার শাশুড়ি আয়েশা সিদ্দিকা তাকে ডাকতে যান। এ সময় রাজুর ঘুম ভাঙলেও বাবলী কোনো সাড়া দিচ্ছিলেন না।
পরে রাজু ও তার মা আয়েশা সিদ্দিকা বাবলীকে অচেতন অবস্থায় স্থানীয় ল্যাম্ব হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাবলীর মরদেহ বাড়িতে নেওয়ার পথে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে কয়েকজন প্রতিবেশী মরদেহ ও তার স্বামী রাজুকে পার্বতীপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের কাছে নিয়ে যান। পুলিশ রাজুকে হেফাজতে নেয় এবং মরদেহ নিজেদের হেফাজতে রাখে।
পার্বতীপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ উন নবী বলেন, বাবলীর মৃত্যুর ঘটনায় কিছু অস্বাভাবিক তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, বাবলী ও তার স্বামীর মাদক সেবন নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই আলোচনা ছিল। এছাড়া পারিবারিক বিষয় ও দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ও কথা-কাটাকাটি হতো বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে এসব বক্তব্যের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বাবলীর শাশুড়ি আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, তিনি ঘরের মধ্যে বাবলীকে বালিশের ওপর মাথা রেখে শুয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পান। তার শরীর কাঁথা দিয়ে ঢাকা ছিল এবং তিনি কোনো সাড়া দিচ্ছিলেন না। পরে তার মুখমণ্ডল কালচে দেখায় বলেও তিনি দাবি করেন। এরপর রাজুর সঙ্গে তিনি বাবলীকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় এখনো মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু, আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে বাবলী ও তার স্বামী রাজু একই কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। ১ অক্টোবর সকাল গড়িয়ে আনুমানিক ১১টা হলেও বাবলী ঘুম থেকে না ওঠায় তার শাশুড়ি আয়েশা সিদ্দিকা তাকে ডাকতে যান। এ সময় রাজুর ঘুম ভাঙলেও বাবলী কোনো সাড়া দিচ্ছিলেন না।
পরে রাজু ও তার মা আয়েশা সিদ্দিকা বাবলীকে অচেতন অবস্থায় স্থানীয় ল্যাম্ব হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাবলীর মরদেহ বাড়িতে নেওয়ার পথে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে কয়েকজন প্রতিবেশী মরদেহ ও তার স্বামী রাজুকে পার্বতীপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের কাছে নিয়ে যান। পুলিশ রাজুকে হেফাজতে নেয় এবং মরদেহ নিজেদের হেফাজতে রাখে।
পার্বতীপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ উন নবী বলেন, বাবলীর মৃত্যুর ঘটনায় কিছু অস্বাভাবিক তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, বাবলী ও তার স্বামীর মাদক সেবন নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই আলোচনা ছিল। এছাড়া পারিবারিক বিষয় ও দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ও কথা-কাটাকাটি হতো বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে এসব বক্তব্যের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বাবলীর শাশুড়ি আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, তিনি ঘরের মধ্যে বাবলীকে বালিশের ওপর মাথা রেখে শুয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পান। তার শরীর কাঁথা দিয়ে ঢাকা ছিল এবং তিনি কোনো সাড়া দিচ্ছিলেন না। পরে তার মুখমণ্ডল কালচে দেখায় বলেও তিনি দাবি করেন। এরপর রাজুর সঙ্গে তিনি বাবলীকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় এখনো মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু, আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন