দৈনিক আলাপন

সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, ‘এত ইন্টারেস্ট কেন’ বললেন কৃষি কর্মকর্তা



সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, ‘এত ইন্টারেস্ট কেন’ বললেন কৃষি কর্মকর্তা

নওগাঁর মান্দায় সার ডিলারসীপ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, দুর্নীতি এবং আইন বহির্ভূতভাবে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন সাইদুর রহমান নামের এক আবেদনকারী। তাই যোগ্যতার ভিত্তিতে ডিলারসীপ নিয়োগের দাবি জানিয়ে তিনি গত ২২সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। 

এদিকে সেই আবেদনের অভিযোগে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর সুপারিশ করেছেন মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতিন ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল।


অভিযোগকারী সাইদুর রহমান উপজেলার কয়াপাড়া এলাকার মৃত রহিমদ্দীনের ছেলে। তিনি “সৈকত ট্রেডার্সের” স্বত্বাধিকারী এবং সার ডিলারসীপ নিয়োগের একজন আবেদনকারী। তার লিখিত অভিযোগের অনুলিপি কৃষি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের সচিব, কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, নওগাঁ কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এবং মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও দেওয়া হয়েছে। 


লিখিত অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, মান্দা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে সার ডিলার সীপ নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১০সেপ্টেম্বর আবেদনের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে প্রায় শতাধিক আবেদন জমা পড়ে। কিন্তু মান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন ও বিএনপির কথিত নামধারি নেতৃবৃন্দ ও কু-চক্রী মহলের কু-পরামর্শে দুর্নীতি, অনিয়ম ও আইন বহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। একই সঙ্গে কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির প্রভাব ও সুপারিশের কারণে অনিয়ম হলে ক্ষোভ তৈরি হতে পারে। সেই কারণে আইন শৃঙ্খলা বিঘœ হতে পারে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে নিয়োগ কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রæত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।


এদিকে অভিযোগ দেওয়ার তিন দিন পার হলেও নেওয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ বলে জানালেন অভিযোগকারী মো. সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, “সার ডিলার সীপ নিয়োগে যোগ্যতা ও বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়োগ দেওয়ার জন্য অভিযোগ দিয়েছি। কারণ কোনো ধরনের অনিয়ম বা রাজনৈতিক প্রভাব অথবা অন্য কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ থাকলে যোগ্য আবেদনকারীরা বঞ্চিত হতে পারেন। কাজেই নিয়োগ প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হলে এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা বিতর্ক তৈরি হবে না, এমনকি কেউ কালোবাজারি করতে পারবে না। তাই যোগ্য ও প্রকৃত আবেদনকারীদের মধ্য থেকে বিধিমালা অনুসরণ করে ডিলার সীপ নিয়োগের দাবি জানান তিনি। 


জানতে চাইলে সুপারিশ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতিন। তিনি বলেন, যেহেতু অভিযোগ উঠেছে, কাজেই তদন্ত করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে যোগ্য ব্যক্তিদের মনোনিত করা উচিৎ। আমি চাইনা কোনো অনিয়মের মাধ্যমে কেউ ডিলার নিয়ে কৃষকের কাছে বেশি দামে সার বিক্রি করুক। তাই অভিযোগকারীর কাছে যদি কোনো প্রমান থাকে, তাহলে সেগুলো তদন্ত হওয়া দরকার। আর যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৭বছর সুবিধা ভোগ করেছে, তারা যেন কোনো আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে সারের ডিলার না পায়। এতে তারা বিএনপি সরকারকে বিভ্রান্তিতে ফেলবে। তারেক রহমান বরাবরই কৃষকের পক্ষে। বিএনপির এই নেতা আরও দাবি করেন, সার ডিলার নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব বা অন্য কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ থাকলে প্রকৃত যোগ্য আবেদনকারীরা বঞ্চিত হতে পারেন। এতে স্থানীয় পর্যায়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি সার বিতরণ ব্যবস্থায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


মান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক লেনদেন কিংবা প্রভাব খাটানোর সুযোগ নেই। আর “আমার নাম করে কেউ যদি কারও কাছ থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, “সার্কুলারটি জেলা থেকে হয়েছে। তাই যাবতীয় তথ্য তারাই দিতে পারবেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা শুধু আবেদনকারীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তদন্ত করেছি। এ উপজেলার বেশ কয়েকটি দপ্তরও বিষয়টি তদন্ত করেছে।”


অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করতেই ক্ষেপে গেলেন নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: মনজুর রহমান। তিনি বলেন, এগুলো ইয়ে করার সুযোগ আছে? কে পাইছে, কোথায় কি হয়েছে, এগুলো কি আমরা জানি? শুধু শুধু এগুলো সমস্যা নিয়ে আপনারা কথা বলেন। যখন হবে, যে পাবে, তখন যে যার মতো করে হাইকোটর্, সুপ্রিম কোর্ট যা করে করুক। অনিয়ম হয়েছে, সেটা কি দেখেছে কেউ? অনিয়ম নিয়ে আপনারা এতো ইন্টারেস্ট দেখান কেন? এগুলো অনিয়ম নিয়ে আর ফোন করবেন না বলে ক্ষিপ্ত হয়ে সংযোগ কেটে দেন তিনি। 


অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য ফোন দিলে রিসিভ করেননি নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এবং হোয়াটস্ অ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোনো উত্তর দেননি। 


উল্লেখ্য, নওগাঁ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে গত ৩১আগস্ট জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নে ৯৯জন ডিলার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে মান্দা উপজেলার ভারশোঁ, ভালাইন, পরানপুর, মান্দা, গণেশপুর, মৈনম, প্রসাদপুর, কুসুম্বা, তেঁতুলিয়া, নূরুল্যাবাদ, কালিকাপুর, কাঁশোপাড়া, কশব ও বিষ্ণপুরÑএই ১৪টি ইউনিয়নে একজন করে মোট ১৪ জন সার ডিলার নিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

 দৈনিক আলাপন

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, ‘এত ইন্টারেস্ট কেন’ বললেন কৃষি কর্মকর্তা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নওগাঁর মান্দায় সার ডিলারসীপ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, দুর্নীতি এবং আইন বহির্ভূতভাবে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন সাইদুর রহমান নামের এক আবেদনকারী। তাই যোগ্যতার ভিত্তিতে ডিলারসীপ নিয়োগের দাবি জানিয়ে তিনি গত ২২সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। 

এদিকে সেই আবেদনের অভিযোগে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর সুপারিশ করেছেন মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতিন ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল।


অভিযোগকারী সাইদুর রহমান উপজেলার কয়াপাড়া এলাকার মৃত রহিমদ্দীনের ছেলে। তিনি “সৈকত ট্রেডার্সের” স্বত্বাধিকারী এবং সার ডিলারসীপ নিয়োগের একজন আবেদনকারী। তার লিখিত অভিযোগের অনুলিপি কৃষি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের সচিব, কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, নওগাঁ কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এবং মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও দেওয়া হয়েছে। 


লিখিত অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, মান্দা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে সার ডিলার সীপ নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১০সেপ্টেম্বর আবেদনের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে প্রায় শতাধিক আবেদন জমা পড়ে। কিন্তু মান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন ও বিএনপির কথিত নামধারি নেতৃবৃন্দ ও কু-চক্রী মহলের কু-পরামর্শে দুর্নীতি, অনিয়ম ও আইন বহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। একই সঙ্গে কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির প্রভাব ও সুপারিশের কারণে অনিয়ম হলে ক্ষোভ তৈরি হতে পারে। সেই কারণে আইন শৃঙ্খলা বিঘœ হতে পারে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে নিয়োগ কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রæত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।


এদিকে অভিযোগ দেওয়ার তিন দিন পার হলেও নেওয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ বলে জানালেন অভিযোগকারী মো. সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, “সার ডিলার সীপ নিয়োগে যোগ্যতা ও বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়োগ দেওয়ার জন্য অভিযোগ দিয়েছি। কারণ কোনো ধরনের অনিয়ম বা রাজনৈতিক প্রভাব অথবা অন্য কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ থাকলে যোগ্য আবেদনকারীরা বঞ্চিত হতে পারেন। কাজেই নিয়োগ প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হলে এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা বিতর্ক তৈরি হবে না, এমনকি কেউ কালোবাজারি করতে পারবে না। তাই যোগ্য ও প্রকৃত আবেদনকারীদের মধ্য থেকে বিধিমালা অনুসরণ করে ডিলার সীপ নিয়োগের দাবি জানান তিনি। 


জানতে চাইলে সুপারিশ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতিন। তিনি বলেন, যেহেতু অভিযোগ উঠেছে, কাজেই তদন্ত করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে যোগ্য ব্যক্তিদের মনোনিত করা উচিৎ। আমি চাইনা কোনো অনিয়মের মাধ্যমে কেউ ডিলার নিয়ে কৃষকের কাছে বেশি দামে সার বিক্রি করুক। তাই অভিযোগকারীর কাছে যদি কোনো প্রমান থাকে, তাহলে সেগুলো তদন্ত হওয়া দরকার। আর যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৭বছর সুবিধা ভোগ করেছে, তারা যেন কোনো আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে সারের ডিলার না পায়। এতে তারা বিএনপি সরকারকে বিভ্রান্তিতে ফেলবে। তারেক রহমান বরাবরই কৃষকের পক্ষে। বিএনপির এই নেতা আরও দাবি করেন, সার ডিলার নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব বা অন্য কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ থাকলে প্রকৃত যোগ্য আবেদনকারীরা বঞ্চিত হতে পারেন। এতে স্থানীয় পর্যায়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি সার বিতরণ ব্যবস্থায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


মান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক লেনদেন কিংবা প্রভাব খাটানোর সুযোগ নেই। আর “আমার নাম করে কেউ যদি কারও কাছ থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, “সার্কুলারটি জেলা থেকে হয়েছে। তাই যাবতীয় তথ্য তারাই দিতে পারবেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা শুধু আবেদনকারীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তদন্ত করেছি। এ উপজেলার বেশ কয়েকটি দপ্তরও বিষয়টি তদন্ত করেছে।”


অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করতেই ক্ষেপে গেলেন নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: মনজুর রহমান। তিনি বলেন, এগুলো ইয়ে করার সুযোগ আছে? কে পাইছে, কোথায় কি হয়েছে, এগুলো কি আমরা জানি? শুধু শুধু এগুলো সমস্যা নিয়ে আপনারা কথা বলেন। যখন হবে, যে পাবে, তখন যে যার মতো করে হাইকোটর্, সুপ্রিম কোর্ট যা করে করুক। অনিয়ম হয়েছে, সেটা কি দেখেছে কেউ? অনিয়ম নিয়ে আপনারা এতো ইন্টারেস্ট দেখান কেন? এগুলো অনিয়ম নিয়ে আর ফোন করবেন না বলে ক্ষিপ্ত হয়ে সংযোগ কেটে দেন তিনি। 


অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য ফোন দিলে রিসিভ করেননি নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এবং হোয়াটস্ অ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোনো উত্তর দেননি। 


উল্লেখ্য, নওগাঁ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে গত ৩১আগস্ট জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নে ৯৯জন ডিলার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে মান্দা উপজেলার ভারশোঁ, ভালাইন, পরানপুর, মান্দা, গণেশপুর, মৈনম, প্রসাদপুর, কুসুম্বা, তেঁতুলিয়া, নূরুল্যাবাদ, কালিকাপুর, কাঁশোপাড়া, কশব ও বিষ্ণপুরÑএই ১৪টি ইউনিয়নে একজন করে মোট ১৪ জন সার ডিলার নিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়।


 দৈনিক আলাপন

সম্পাদক ও প্রকাশক: আমিনুল হক
নির্বাহী সম্পাদক: কাজী জাহিদ
ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ নুরুন্নবী।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, ‘এত ইন্টারেস্ট কেন’ বললেন কৃষি কর্মকর্তা
0:00 / 0:00
1x