দিনাজপুরের পার্বতীপুরে নদীতে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের আট শিশু পানিতে ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে হুমায়রা খাতুন (৬) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছে অপর সাত শিশু। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের ঘনেশ্যামপুর চৈতারপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হুমায়রা খাতুন ওই গ্রামের মামুনুর রশিদের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে একই পরিবারের আট শিশু একসঙ্গে বাড়ির পাশের নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে পানির তীব্র ¯্রােতে সব শিশুই তলিয়ে যেতে থাকে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় ৪-৫ জন গ্রামবাসী দ্রæত নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাত শিশুকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন। তবে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু হুমায়রা।
উদ্ধার করা সাত শিশুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রæত পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকরা তাদের শঙ্কামুক্ত ঘোষণা করলে স্বজনেরা বাড়িতে নিয়ে যান।
সৌভাগ্যবশত প্রাণে বেঁচে যাওয়া শিশুদের মধ্যে 'জাগো রংপুর' পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ও পার্বতীপুর প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য সাজেদুর রহমান নওশাদের এক ছেলে ও এক মেয়েও রয়েছে। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া সাত শিশুই পুরোপুরি সুস্থ ও শঙ্কামুক্ত রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে নিশ্চিত করেছেন এবং এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে নদীতে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের আট শিশু পানিতে ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে হুমায়রা খাতুন (৬) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছে অপর সাত শিশু। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের ঘনেশ্যামপুর চৈতারপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হুমায়রা খাতুন ওই গ্রামের মামুনুর রশিদের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে একই পরিবারের আট শিশু একসঙ্গে বাড়ির পাশের নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে পানির তীব্র ¯্রােতে সব শিশুই তলিয়ে যেতে থাকে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় ৪-৫ জন গ্রামবাসী দ্রæত নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাত শিশুকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন। তবে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু হুমায়রা।
উদ্ধার করা সাত শিশুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রæত পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকরা তাদের শঙ্কামুক্ত ঘোষণা করলে স্বজনেরা বাড়িতে নিয়ে যান।
সৌভাগ্যবশত প্রাণে বেঁচে যাওয়া শিশুদের মধ্যে 'জাগো রংপুর' পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ও পার্বতীপুর প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য সাজেদুর রহমান নওশাদের এক ছেলে ও এক মেয়েও রয়েছে। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া সাত শিশুই পুরোপুরি সুস্থ ও শঙ্কামুক্ত রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে নিশ্চিত করেছেন এবং এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন