মেলায় এককভাবে সর্বাধিক সংখ্যক ১৩২টি অচাষকৃত উদ্ভিদ সংগ্রহ ও প্রদর্শন করে প্রথম স্থান অধিকার করেন শিক্ষার্থী দ্বীপান্বিতা মন্ডল । ১১২ টি নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন চম্পা মন্ডল এবং ১০৭ টি নিয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন স্বপ্না জোয়ারদার ।
মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ফুলতলা কৃষি নারী সংগঠন ও কিশোরী সংগঠনের উদ্যোগে এবং বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহায়তায় উপকূলীয় অঞ্চলের অচাষকৃত উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পরিচিতিকরণের লক্ষ্যে ‘কুড়িয়ে পাওয়া শাকের মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০শে আগস্ট) বিকাল ৩টায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
মেলায় ফুলতলা ও উত্তর কদমতলা গ্রামের ১৭জন নারী এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা প্রায় ১৩২ ধরনের অচাষকৃত উদ্ভিদ প্রদর্শন করেন। এর মধ্যে থানকুনি, হেলাঞ্চ, কলমি, গাদোমনি, সেঞ্চি, ভুইকুমড়া, আদাবরুন, পেপুল, হেন্না, জার্মানীলতা, শিষাকন্দ, হাতিশুড় ইত্যাদি অচাষকৃত উদ্ভিদ ছিলো।
মেলায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধান শিক্ষক হরসিত কুমার মন্ডল , সহকারী শিক্ষক কমলেশ মন্ডল, সুন্দরবন প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক জি এম মাসুম বিল্লাহসহ বারসিক কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মন্ডল, মারুফ হোসেন, হাবিবুর রহমান, আল-মামুন,ওমর ফারুক রাজন ও চন্দনা রানীসহ স্থানীয় কৃষক-কৃষাণী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মেলায় অংশগ্রহনকারী নারীরা অচাষকৃত উদ্ভিদের স্থানীয় নাম, প্রাপ্তি স্থান, খাদ্যগুন, ঔষধী হিসাবে ব্যবহার, পরিবেশগত গুরুত্ব ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তারা বলেন, উপকুলীয় মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির পাশাপশি এসব অচাষকৃত উদ্ভিদ স্থানীয় জীববৈচিত্র্য ও নিজস্ব জ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তারা আরো বলেন, উপকূলীয় মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির পাশাপাশি অচাষকৃত উদ্ভিদ স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে হারিয়ে যেতে বসা অচাষকৃত উদ্ভিদের পরিচিতি ও ব্যবহার নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি এগুলো সংরক্ষণে স্থানীয় মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে।
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ণ
সূত্র: onenewsexpress.com

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
মেলায় এককভাবে সর্বাধিক সংখ্যক ১৩২টি অচাষকৃত উদ্ভিদ সংগ্রহ ও প্রদর্শন করে প্রথম স্থান অধিকার করেন শিক্ষার্থী দ্বীপান্বিতা মন্ডল । ১১২ টি নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন চম্পা মন্ডল এবং ১০৭ টি নিয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন স্বপ্না জোয়ারদার ।
মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ফুলতলা কৃষি নারী সংগঠন ও কিশোরী সংগঠনের উদ্যোগে এবং বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহায়তায় উপকূলীয় অঞ্চলের অচাষকৃত উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পরিচিতিকরণের লক্ষ্যে ‘কুড়িয়ে পাওয়া শাকের মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০শে আগস্ট) বিকাল ৩টায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
মেলায় ফুলতলা ও উত্তর কদমতলা গ্রামের ১৭জন নারী এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা প্রায় ১৩২ ধরনের অচাষকৃত উদ্ভিদ প্রদর্শন করেন। এর মধ্যে থানকুনি, হেলাঞ্চ, কলমি, গাদোমনি, সেঞ্চি, ভুইকুমড়া, আদাবরুন, পেপুল, হেন্না, জার্মানীলতা, শিষাকন্দ, হাতিশুড় ইত্যাদি অচাষকৃত উদ্ভিদ ছিলো।
মেলায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধান শিক্ষক হরসিত কুমার মন্ডল , সহকারী শিক্ষক কমলেশ মন্ডল, সুন্দরবন প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক জি এম মাসুম বিল্লাহসহ বারসিক কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মন্ডল, মারুফ হোসেন, হাবিবুর রহমান, আল-মামুন,ওমর ফারুক রাজন ও চন্দনা রানীসহ স্থানীয় কৃষক-কৃষাণী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মেলায় অংশগ্রহনকারী নারীরা অচাষকৃত উদ্ভিদের স্থানীয় নাম, প্রাপ্তি স্থান, খাদ্যগুন, ঔষধী হিসাবে ব্যবহার, পরিবেশগত গুরুত্ব ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তারা বলেন, উপকুলীয় মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির পাশাপশি এসব অচাষকৃত উদ্ভিদ স্থানীয় জীববৈচিত্র্য ও নিজস্ব জ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তারা আরো বলেন, উপকূলীয় মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির পাশাপাশি অচাষকৃত উদ্ভিদ স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে হারিয়ে যেতে বসা অচাষকৃত উদ্ভিদের পরিচিতি ও ব্যবহার নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি এগুলো সংরক্ষণে স্থানীয় মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে।
প্রকাশের তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ণ
সূত্র: onenewsexpress.com

আপনার মতামত লিখুন