উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: ||
ট্রেন আসে, ট্রেন যায়। বদরগঞ্জ রেলস্টেশনে প্রতিদিনই থাকে মানুষের ব্যস্ত পদচারণা। ট্রেনের হুইসেল, যাত্রীদের কোলাহল আর ব্যস্ততার মাঝেই প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার এক ছোট্ট দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন স্টেশন মাস্টার ইমরুল কায়েস। স্টেশন চত্বরে নিজ উদ্যোগে রোপণ করলেন একটি বকুল ফুলের চারা।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বদরগঞ্জ রেলস্টেশন চত্বরে চারাটি রোপণ করা হয়। সম্প্রতি পৌরসভার অর্থায়নে স্টেশন চত্বরের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়েছে। সেই সৌন্দর্যের সঙ্গে সবুজের ছোঁয়া যোগ করতেই স্টেশন মাস্টারের এই উদ্যোগ।চারা রোপণের সময় স্টেশন এলাকার স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও উপস্থিত ছিলেন। ছোট্ট চারাটিকে ঘিরে সবার মধ্যে দেখা যায় উৎসাহ ও আগ্রহ।স্টেশন মাস্টার ইমরুল কায়েস বলেন, ‘প্রকৃতির টানেই গাছটি রোপণ করেছি। গাছটি একদিন বড় হবে। পাতার ফাঁকে ফাঁকে ফুটবে বকুল ফুল। চারপাশে ছড়িয়ে পড়বে মিষ্টি সুবাস। পাশাপাশি পাখিদের জন্যও এটি একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে।’তিনি আরও বলেন, ‘চাকরির প্রয়োজনে একদিন হয়তো বদরগঞ্জ থেকে বদলি হয়ে যেতে হবে। কিন্তু স্টেশন চত্বরে বেড়ে ওঠা এই বকুল গাছটি তখন আমার জন্য স্মৃতি হয়ে থাকবে।’আজকের ছোট্ট চারাটি হয়তো এখন কেবল একটি গাছ। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেটিই একদিন হয়ে উঠবে ছায়ায় ভরা বৃক্ষ। ছড়াবে বকুল ফুলের মিষ্টি সুবাস, ডালে ডালে বসবে পাখি। ব্যস্ত রেলস্টেশনেও তৈরি হবে প্রকৃতির এক শান্ত আবহ।এলাকাবাসী বুলু মিয়া বলেন, ‘গাছটি বড় হয়ে উঠলে এর সুবাস আর পাখির কলকাকলিতে স্টেশন চত্বর ভরে উঠবে। বিশেষ করে ট্রেনের আসা-যাওয়ার ব্যস্ততার মাঝে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকা সেই বকুল গাছটি হয়তো যাত্রীদের মনে করিয়ে দেবে পুরোনো কোনো স্মৃতি।’তিনি আরও বলেন, ‘স্টেশনকে ভালোবেসে রোপণ করা এই গাছটি একসময় প্রকৃতির এক টুকরো ভালোবাসার প্রতীক হয়ে থাকবে।’