উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি: ||
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়নে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সেচ প্রকল্পের একটি গভীর নলকূপের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হওয়ায় সেচ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ওই প্রকল্পের আওতাভুক্ত শত শত কৃষক চরম বিপাকে পড়েছেন। জমিতে সময়মতো পানি দিতে না পারায় বিভিন্ন আবাদি ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ধর্মপাল ইউনিয়নের এই গভীর নলকূপের ওপর নির্ভর করে আশপাশের কৃষকরা বোরোসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের আবাদ করেন। কিন্তু ট্রান্সফরমার চুরি যাওয়ার পর থেকে পাম্পটি বন্ধ থাকায় জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক কৃষকের জমিতে ফসল শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।প্রকল্পের ম্যানেজার শাহিনুর আলম শাহিন বলেন, “এ নিয়ে এই প্রকল্পে তিনবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। বারবার চুরি হওয়ায় আমারও অনেক ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে ট্রান্সফরমার না থাকায় পাম্প চালানো যাচ্ছে না। দ্রুত ট্রান্সফরমার স্থাপন করে সেচ ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন।”কৃষক আব্দুল রশিদ বলেন, “আমাদের আবাদি জমির জন্য এই গভীর নলকূপের পানির ওপর নির্ভর করতে হয়। পাম্প বন্ধ থাকায় জমিতে পানি দিতে পারছি না। এভাবে আরও কয়েকদিন চললে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতি হবে।”আরেক কৃষক মফিজুল ইসলাম বলেন, “ফসলের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পানি প্রয়োজন। ট্রান্সফরমার চুরি হওয়ায় আমরা চরম সমস্যায় পড়েছি। দ্রুত সেচ ব্যবস্থা চালু না হলে কৃষকদের লোকসান গুনতে হবে।”কৃষক আলী হোসেন জানান, “সেচের পানি না পেয়ে অনেকেই অতিরিক্ত খরচ করে বিকল্পভাবে পানি দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সবার পক্ষে এভাবে সেচ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই দ্রুত সমাধান চাই।”স্থানীয় কৃষকদের দাবি, চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমার দ্রুত প্রতিস্থাপন করে গভীর নলকূপের সেচ কার্যক্রম চালু করা এবং ভবিষ্যতে চুরি রোধে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হোক।এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ওসি নাজমুল আলম এর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত আমি কোন লিখিত অভিযোগ পাই নাই , লিখিত অভিযোগ আসলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।